• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live
টপ নিউজ
জুয়া প্রতিরোধসহ চারটি গুরুত্বপূর্ণ আইনের খসড়া অনুমোদন পরিবেশ রক্ষায় সম্মিলিত উদ্যোগ ছাড়া টেকসই নগরী সম্ভব নয় বিডার ভরসা দেশি বিনিয়োগে ঋণখেলাপি ইস্যুতে উত্তপ্ত সংসদ, তুমুল বিতর্ক চোখের চিকিৎসা সহজলভ্য করতে অপটোমেট্রি পেশার স্বীকৃতি প্রয়োজন: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বিমানবাহিনী কর্মকর্তার স্ত্রী হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার সদরঘাটে নৌ পুলিশের অভিযানে অস্ত্রসহ দুই ডাকাত গ্রেপ্তার মাদক প্রতিরোধে এলাকাভিত্তিক কমিটি গঠনের আহ্বান ডিএসসিসি প্রশাসকের সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের ১২ হাজার কোটি টাকা বনদস্যুতা নির্মূলে বিশেষ অভিযান চালানো হচ্ছে: কোস্ট গার্ড ডিজি

হাদি হত্যার ২ আসামি গ্রেপ্তারের পর যা জানাল সিআইডি

নিজস্ব প্রতিবেদক    ৮ মার্চ ২০২৬, ০৮:৫৩ পি.এম.
ছবি: সংগৃহীত

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলার মূল অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সহযোগী আলমগীর হোসেনকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। 

রোববার (৮ মার্চ) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ)।

এদিকে বাংলাদেশে এই হত্যাকাণ্ডের অধিকতর তদন্ত চালাচ্ছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। সংস্থাটি জানিয়েছে, মামলাটির তদন্ত এখনও চলমান রয়েছে।

ভারতে আটক দুই ব্যক্তির বিষয়ে সিআইডির প্রধান মো. ছিবগাত উল্লাহ বলেন, “তথ্যটি আমরা যাচাই করছি। নিশ্চিত হওয়ার পর আমরা আইনগত প্রক্রিয়ায় তাদেরকে দেশে ফিরিয়ে আনার কার্যক্রম শুরু করবো।”

এসটিএফ জানায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে—বাংলাদেশে চাঁদাবাজি ও হত্যাসহ একাধিক গুরুতর অপরাধে জড়িত দুই বাংলাদেশি পালিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেছে। তারা পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁ সীমান্ত এলাকায় আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করছিল এবং সুযোগ পেলে আবার বাংলাদেশে ফেরার পরিকল্পনা করছিল।

এই তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে দুইজনকে আটক করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদ (৩৭), বাড়ি পটুয়াখালী এবং আলমগীর হোসেন (৩৪), বাড়ি ঢাকা।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাতে এসটিএফ জানিয়েছে, ওসমান হাদিকে হত্যার পর ফয়সাল করিম মাসুদ ও আলমগীর হোসেন পালিয়ে মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করে। এরপর তারা ভারতের বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে ছিল। সম্প্রতি বাংলাদেশে ফেরার উদ্দেশ্যে তারা বনগাঁ এলাকায় আসে।

এ ঘটনায় এসটিএফ থানায় একটি মামলা দায়ের করেছে এবং অভিযুক্তদের আদালতে হাজির করা হয়েছে। বর্তমানে তাদের পুলিশ হেফাজতে রেখে তদন্ত চলছে।

পশ্চিমবঙ্গের একাধিক পুলিশ সূত্র ও স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বনগাঁ এলাকায় গত বছরের ২৯ ডিসেম্বর তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করেছে সম্প্রতি।

বাংলাদেশের তদন্ত সংশ্লিষ্ট একাধিক কর্মকর্তাও জানিয়েছেন, এই দুইজন আগেই আটক বা গ্রেপ্তার হয়েছে—এমন তথ্য তাদের কাছে ছিল।

উল্লেখ্য, গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত শরীফ ওসমান বিন হাদি ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ছিলেন। তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন। গত বছরের ১২ ডিসেম্বর প্রচারণার উদ্দেশ্যে বের হলে রাজধানীর পল্টনের বক্স কালভার্ট রোড এলাকায় দুর্বৃত্তরা তাকে গুলি করে। গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, পরে এভারকেয়ার হাসপাতাল হয়ে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সেখানে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ১৮ ডিসেম্বর রাতে তার মৃত্যু হয়।

ভিওডি বাংলা/এমএস

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
শ্রীলঙ্কায় সার্কের সিভিওদের সভা শুরু
শ্রীলঙ্কায় সার্কের সিভিওদের সভা শুরু
এসএসএফের পিস্তল দিয়ে নিশানা পরীক্ষা করলেন প্রধানমন্ত্রী
এসএসএফের পিস্তল দিয়ে নিশানা পরীক্ষা করলেন প্রধানমন্ত্রী
বাংলাদেশি সমর্থকদের নিয়ে বিশেষ ভ্লগ বানাবে আর্জেন্টিনা
বাংলাদেশি সমর্থকদের নিয়ে বিশেষ ভ্লগ বানাবে আর্জেন্টিনা