জনগণের সঙ্গে ধোঁকাবাজি চলছে: জামায়াত আমির

জনগণের সঙ্গে ধোঁকাবাজি চলছে মন্তব্য করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘মন্ত্রী বলেছেন অতিরিক্ত ভাড়া ফেরত দেওয়া হবে। দেশবাসীর প্রশ্ন, লাখ লাখ মানুষ ঢাকা ছেড়েছে। এই বিপুল সংখ্যক মানুষের কাছে ফেরতকৃত টাকা কীভাবে পৌঁছাবেন তিনি? এটা দেশবাসীর সঙ্গে প্রতারণা ছাড়া আর কিছুই নয়।’
সোমবার (২৩ মার্চ) দুপুরে মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার ভাটেরা ইউনিয়নের নিজ এলাকায় স্থানীয়দের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়কালে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
সরকারের উদ্দেশে বলেন, নির্বাচন শেষ হয়েছে। অনিয়ম হলেও আমরা তা মেনে নিয়েছি, যাতে দেশটা অচল না হয়। আপনারা যদি সঠিক ধারায় ফিরে না আসেন, তাহলে সারাদেশের মানুষ কিন্তু জুলাই যোদ্ধা, এই মানুষগুলো আপনাদের ক্ষমা করবে না।
তিনি বলেন, আমরা সরকারের কণ্ঠে শুনতে চাই, ‘আর বাংলাদেশে চাঁদাবাজি হবে না, মানুষের ওপর জুলুম করা হবে না।’ আমরাও সরকারকে দৃঢ় কণ্ঠে বলতে চাই, যদি সরকার কথা ও কাজে এটা প্রমাণ করতে পারেন, আমরা সরকারের সকল ইতিবাচক কাজে সহযোগিতা করব, সমর্থন করব। কিন্তু যে পদক্ষেপ জনস্বার্থের বিপক্ষে যাবে আমরা তার প্রতিবাদ করবো। এতেও কাজ না হলে, আমরা প্রতিহত করব।
প্রাণবন্ত এ শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন- জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, সিলেট মহানগর আমির ও কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মো. ফখরুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও সিলেট জেলা নায়েবে আমির হাফেজ মাওলানা আনোয়ার হোসাইন খাঁন, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও সাবেক জেলা আমির মো. আব্দুল মান্নান, সিলেট মহানগর মজলিসে শূরা সদস্য আব্দুস সালাম আল মাদানী, জেলা নায়েবে আমির মাওলানা আব্দুর রহমান, জেলা সেক্রেটারি মো. ইয়ামির আলী, দক্ষিণ সুরমা উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান মাওলানা লোকমান আহমেদ, ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান সাইফুল্লাহ আল হোসাইন, সাবেক জেলা সেক্রেটারি খন্দকার আব্দুস সোবহান ও আব্দুল হামিদ খান, উপজেলা নায়েবে আমির জাকির আহমেদ, সেক্রেটারি বেলাল আহমদ চৌধুরী, উপজেলা শূরা সদস্য রাজানুর রহিম ইফতেখার, জেলা ছাত্রশিবির সভাপতি মো. ফরিদ উদ্দিন, শহর সভাপতি কাজী দাইয়ান আহমেদ প্রমুখ।
নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে ঈদের প্রচণ্ড ব্যস্ততার মাঝেও নিজ এলাকায় আসায় জনগণ অত্যন্ত খুশি। বাড়িতে প্রবেশের আগে তিনি নিজ গ্রামের কবরস্থানে গিয়ে কবর জিয়ারত করেন। এসময় তাকে বিশাল মোটর সাইকেল বহর নিয়ে অভ্যর্থনা জানানো হয়। আজ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার প্রায় ৪ হাজার মানুষ উপস্থিত ছিলেন ও মেহমানদের সঙ্গে তিনি দুপুরের খাবার গ্রহণ করেন।







