চট্টগ্রামে মাকে জবাই করে হত্যার অভিযোগে ছেলে-পুত্রবধূ গ্রেপ্তার

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে মাকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগে তার ছেলে ও পুত্রবধূকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। হত্যাকাণ্ডের পর দম্পতি রক্তাক্ত কাপড়চোপড় ঘরের এক কোণে লুকিয়ে রাখে। পরে মৃতদেহ চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
বুধবার (১ এপ্রিল) রাতে র্যাব -৭ ও র্যাব-১৫ এর যৌথ অভিযান এবং কক্সবাজারের চকরিয়া থানার সহায়তায় গ্রেপ্তার করা হয় কাশেম ও নারগিছকে। র্যাব-৭-এর সহকারী পরিচালক (গণমাধ্যম) এ আর এম মোজাফ্ফর হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
র্যাব জানায়, গত বছরের ৫ জুন রাত ১০টা থেকে ৬ জুন সকাল ৬টার মধ্যে কোনও এক সময় তারা ধারালো দা দিয়ে রেহেনা বেগমের গলা কেটে হত্যা করেন।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- বাঁশখালী উপজেলার পূর্ব বৈলছড়ি এলাকার মোজাফফর আহমেদের ছেলে মো. কাশেম (২৮) ও তার স্ত্রী নারগিছ আক্তার (২৫)।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, নিহত রেহেনা বেগম তার বড় ছেলে প্রবাসী মো. বেলাল, ছোট ছেলে কাশেম এবং কাশেমের স্ত্রী নারগিছের সঙ্গে বসবাস করতেন। বেলাল বিদেশ থেকে মায়ের চিকিৎসা ও ওষুধের জন্য কাশেমের কাছে অর্থ পাঠাতেন। কিন্তু কাশেম সেই অর্থ নিজের কাছে রেখে দিতেন। এ নিয়ে পরিবারে বিরোধ ও তিক্ততা তৈরি হতো। অবশেষে ওই বিরোধের জেরে কাশেম ও তার স্ত্রী নারগিছ একযোগে রেহেনা বেগমকে হত্যা করেন।
পরে পুলিশ ও নিহতের ভাতিজা একরাম তাকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই বাদী হয়ে গত বছরের ৮ জুন বাঁশখালী থানায় হত্যা মামলা করেন।
ভিওডি বাংলা/জা







