জাতীয় সংসদে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান’ অধ্যাদেশ পাস

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশনে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবার এবং জুলাই যোদ্ধাদের কল্যাণ ও পুনর্বাসন অধ্যাদেশ-২০২৬’ আনুষ্ঠানিকভাবে পাস হয়েছে। এই অধ্যাদেশের মাধ্যমে আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী ‘জুলাই যোদ্ধা’ ও শহীদদের পরিবারের জন্য রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে কল্যাণ ও পুনর্বাসনের আইনি কাঠামো তৈরি হলো।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) দুপুরে সংসদের বৈঠকে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন।
পরে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বিলটি ভোটের জন্য সংসদ সদস্যদের সামনে উপস্থাপন করেন। এ সময় উপস্থিত সংসদ সদস্যরা কণ্ঠভোটে ‘হ্যাঁ’ বলে বিলটির পক্ষে সমর্থন জানান, ফলে এটি সর্বসম্মতভাবে পাস হয়।
পাস হওয়া অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ হওয়া ব্যক্তিদের পরিবার এবং আন্দোলনে অংশ নেওয়া ‘জুলাই যোদ্ধাদের’ আর্থিক ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি তাদের পুনর্বাসন এবং রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি প্রদানের বিষয়টিও এতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
এছাড়া গণঅভ্যুত্থানের চেতনা, মর্ম ও আদর্শকে রাষ্ট্রীয় ও জাতীয় জীবনে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যও এই আইন প্রণয়নের অন্যতম উদ্দেশ্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
এর আগে সংসদে একই ইস্যুতে আরও একটি বিল সর্বসম্মতভাবে পাস হয়েছিল, যেখানে ‘জুলাই যোদ্ধা’দের আইনি ও সাংবিধানিক সুরক্ষা এবং দায়মুক্তির বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত ছিল।
নতুন এই অধ্যাদেশ পাসের মধ্য দিয়ে জুলাই আন্দোলন সংশ্লিষ্টদের জন্য পূর্ণাঙ্গ রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও পুনর্বাসনের প্রক্রিয়া আরও সুসংগঠিত হলো।
ভিওডি বাংলা/জা







