• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live

উন্নয়ন অংশীদারদের কাছে ২ বিলিয়ন ডলার সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

বাসস    ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৪০ পি.এম.
এজেডইসি প্লাস অনলাইন সামিটে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: সংগৃহীত

দেশের জরুরি জ্বালানি চাহিদা মেটাতে এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় উন্নয়ন সহযোগীদের কাছে ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সহায়তা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত এশিয়া জিরো এমিশন কমিউনিটি (এজেডইসি) প্লাস অনলাইন সামিটে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান পরিস্থিতিতে জরুরি পদক্ষেপ, ঐক্যবদ্ধ এবং দৃঢ় সিদ্ধান্ত গ্রহণের দাবি রাখে। সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য জরুরি সহায়তা নিশ্চিত করা আমাদের সম্মিলিত এজেন্ডার শীর্ষে থাকা উচিত।
আমরা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এই আহ্বানে দ্রুত ও ইতিবাচক সাড়া দেওয়ারও অনুরোধ জানাই।’

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এই সংকট আমাদের পারস্পরিক নির্ভরতা ও দুর্বলতার বিষয়টি স্পষ্টভাবে সামনে এনেছে। কোনো দেশ এককভাবে এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পারবে না। আঞ্চলিক জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করা এবং সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার সমস্যা সমাধানে এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সমন্বিত ও দূরদর্শী পদক্ষেপ প্রয়োজন।’

জ্বালানি সংকট বাংলাদেশের অর্থনীতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এর প্রভাব মোকাবিলায় সরকার বেশ কিছু স্বল্পমেয়াদি ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। সেগুলোর মধ্যে রয়েছে সরকারি অফিস ও বাজারের সময়সূচি পরিবর্তনের মাধ্যমে চাহিদা ব্যবস্থাপনা, জরুরি ভিত্তিতে জ্বালানি আমদানি বৃদ্ধি ও বিকল্প উৎসের মাধ্যমে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং ভোক্তা নিয়ন্ত্রণে জ্বালানি রেশনিং ও খুচরা বিক্রয়ে সীমা নির্ধারণ। এ ছাড়া মজুদদারি ও আতঙ্কজনিত কেনাকাটা রোধে ফুয়েল অ্যাপের মতো উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’

তারেক রহমান আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, ‘এই সংকটের মাত্রা ও পরিণতি ১৯৭০-এর দশকের তেল সংকটের চেয়েও ভয়াবহ হতে পারে, যা ১৯৮০-এর দশকের উন্নয়ন কার্যক্রম স্থবির করে দিয়েছিল।

১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, দারিদ্র্য বিমোচন ও জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। তবে বর্তমান সংকট সেই অর্জনকে পিছিয়ে দেওয়ার বাস্তব ঝুঁকি তৈরি করেছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘বাংলাদেশ একা সংকটে পড়েনি। তাই একক প্রচেষ্টায় এটি মোকাবিলা করা সম্ভব নয়। চলমান জ্বালানি সংকটের প্রভাব নিয়ন্ত্রণে বিশেষ করে স্বল্পোন্নত দেশসহ ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোকে এর ভয়াবহ অর্থনৈতিক ও সামাজিক বিপর্যয় থেকে সুরক্ষায় একটি দৃঢ় ও সমন্বিত বৈশ্বিক উদ্যোগ প্রয়োজন।’

তারেক রহমান সময়োপযোগী ও গুরুত্বপূর্ণ এ সম্মেলন আয়োজনের জন্য জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচিকে ধন্যবাদ জানান। ভার্চুয়ালি আয়োজিত এই সম্মেলনে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমসহ জাপান, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম ও পূর্ব তিমুরের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানরা অংশ নেন। সমাপনী বক্তব্য দেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী।

ভিওডি বাংলা/আরকেএইচ

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে স্পেনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে স্পেনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
শ্রীলঙ্কায় সার্কের সিভিওদের সভা শুরু
শ্রীলঙ্কায় সার্কের সিভিওদের সভা শুরু
এসএসএফের পিস্তল দিয়ে নিশানা পরীক্ষা করলেন প্রধানমন্ত্রী
এসএসএফের পিস্তল দিয়ে নিশানা পরীক্ষা করলেন প্রধানমন্ত্রী