• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live
টপ নিউজ
সংসদে কোনো ঋণখেলাপি নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শেষ ২৩ মিনিটে ৫ গোল, বসনিয়াকে ৪-১ গোলে হারাল সুইজারল্যান্ড জুয়া প্রতিরোধসহ চারটি গুরুত্বপূর্ণ আইনের খসড়া অনুমোদন পরিবেশ রক্ষায় সম্মিলিত উদ্যোগ ছাড়া টেকসই নগরী সম্ভব নয় বিডার ভরসা দেশি বিনিয়োগে ঋণখেলাপি ইস্যুতে উত্তপ্ত সংসদ, তুমুল বিতর্ক চোখের চিকিৎসা সহজলভ্য করতে অপটোমেট্রি পেশার স্বীকৃতি প্রয়োজন: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বিমানবাহিনী কর্মকর্তার স্ত্রী হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার সদরঘাটে নৌ পুলিশের অভিযানে অস্ত্রসহ দুই ডাকাত গ্রেপ্তার মাদক প্রতিরোধে এলাকাভিত্তিক কমিটি গঠনের আহ্বান ডিএসসিসি প্রশাসকের

মামলার জট কমাতে ৮৭১ আদালত ও ২৩২ বিচারক পদ: আইনমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক    ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:১৬ পি.এম.
আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান। ছবি: সংগৃহীত

মামলার জট নিরসনে দেশে ৮৭১টি নতুন আদালত এবং ২৩২টি বিচারকের পদ সৃষ্টি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান। তিনি জানান, ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশের অধস্তন আদালতগুলোতে মোট ৪০ লাখ ৪১ হাজার ৯২৪টি মামলা বিচারাধীন ছিল।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সরকারদলীয় সংসদ সদস্য জাহান্দার আলী মিয়া–এর প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য তুলে ধরেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল।

আইনমন্ত্রী জানান, ফৌজদারি কার্যবিধি আইন (সংশোধন) ২০২৬–এ বেশ কিছু নতুন বিধান যুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে বার্তা ও কণ্ঠসেবার মাধ্যমে সমন জারি, হলফনামার ভিত্তিতে আরজি ও লিখিত জবাব দাখিল, সরাসরি জেরা করার সুযোগ এবং ডিক্রি জারির জন্য পৃথক মামলা না করে মূল মামলাতেই আবেদন করার বিধান অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, মামলার জট কমাতে নতুন আদালত ও বিচারকের পদ সৃষ্টির পাশাপাশি আরও ৩০৪টি বিচারকের পদ সৃষ্টির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এছাড়া ১৫০ জন সিভিল জজ নিয়োগ কার্যক্রমও চলছে।

আইনমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশন–এর মাধ্যমে অধস্তন আদালতের বিভিন্ন শূন্যপদে ৭০৮ জন কর্মচারী নিয়োগের সুপারিশ করা হয়েছে। পাশাপাশি আরও ৫৫৩ জন কর্মচারী নিয়োগ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

তিনি বলেন, বিচারপ্রার্থী সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ লাঘব এবং মামলার জট নিরসনে বর্তমান সরকার দৃঢ় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

বিরোধীদলের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী–এর এক প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, অতীতে বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগ থেকে আলাদা করার ক্ষেত্রে কোনো আইনি বা প্রশাসনিক বাধা ছিল না। তবে সে সময় বিচারকদের বদলি ও পদায়নে দলীয় আনুগত্যকে গুরুত্ব দেওয়া হতো।

তিনি দাবি করেন, স্বাধীনভাবে বিচারকার্য পরিচালনার চেষ্টা করলে অনেক বিচারককে প্রত্যন্ত অঞ্চলে বদলি করা হতো, যা কার্যত শাস্তির সামিল ছিল।

আইনমন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমান সরকার সেই নীতি অনুসরণ করছে না। সততা, দক্ষতা এবং বিচারিক আচরণই বিচারকদের পদায়নের প্রধান মানদণ্ড হবে। এ বিষয়ে আইন মন্ত্রণালয় সুপ্রিম কোর্টে সুপারিশ করবে, তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা আদালতের হাতেই থাকবে।

ভিওডি বাংলা/আ

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে স্পেনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে স্পেনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
শ্রীলঙ্কায় সার্কের সিভিওদের সভা শুরু
শ্রীলঙ্কায় সার্কের সিভিওদের সভা শুরু
এসএসএফের পিস্তল দিয়ে নিশানা পরীক্ষা করলেন প্রধানমন্ত্রী
এসএসএফের পিস্তল দিয়ে নিশানা পরীক্ষা করলেন প্রধানমন্ত্রী