• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live
টপ নিউজ
জুয়া প্রতিরোধসহ চারটি গুরুত্বপূর্ণ আইনের খসড়া অনুমোদন পরিবেশ রক্ষায় সম্মিলিত উদ্যোগ ছাড়া টেকসই নগরী সম্ভব নয় বিডার ভরসা দেশি বিনিয়োগে ঋণখেলাপি ইস্যুতে উত্তপ্ত সংসদ, তুমুল বিতর্ক চোখের চিকিৎসা সহজলভ্য করতে অপটোমেট্রি পেশার স্বীকৃতি প্রয়োজন: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বিমানবাহিনী কর্মকর্তার স্ত্রী হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার সদরঘাটে নৌ পুলিশের অভিযানে অস্ত্রসহ দুই ডাকাত গ্রেপ্তার মাদক প্রতিরোধে এলাকাভিত্তিক কমিটি গঠনের আহ্বান ডিএসসিসি প্রশাসকের সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের ১২ হাজার কোটি টাকা বনদস্যুতা নির্মূলে বিশেষ অভিযান চালানো হচ্ছে: কোস্ট গার্ড ডিজি

পাচার হওয়া অর্থ ফেরাতে ১১ মামলা পরিচালনা করছে সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক    ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:১৪ পি.এম.
ছবি: সংগৃহীত

আওয়ামী লীগ আমলে দেশ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিদেশে পাচারের অভিযোগ উঠেছে। এসব অর্থ ফেরাতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে এবং একটি টাস্কফোর্স গঠন করেছে। একই সঙ্গে পাচার হওয়া অর্থ পুনরুদ্ধারে ১১টি মামলায় আইনি প্রক্রিয়া চালানো হচ্ছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১৯তম দিনে বুধবার (২২ এপ্রিল) প্রশ্নোত্তর পর্বে এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ তথ্য জানান।

মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. কামরুজ্জামান জানতে চান, অতীত সরকারের সময় বিভিন্ন উপায়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিদেশে পাচার হয়েছে—এ অর্থ দেশে ফেরাতে সরকারের কোনো উদ্যোগ আছে কি না।

জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার সরকারের মন্ত্রী এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের পাচার করা অর্থ পুনরুদ্ধারে সরকার অগ্রাধিকার ভিত্তিতে আইনি প্রক্রিয়া চালাচ্ছে। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সভাপতিত্বে একটি আন্তঃসংস্থা টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে।

তিনি জানান, টাস্কফোর্সের চিহ্নিত ১১টি অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত মামলায় অর্থ উদ্ধারের কার্যক্রম চলছে। এসব মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী, তার পরিবার, বিভিন্ন শিল্পগোষ্ঠী এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নাম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

সরকারপ্রধান বলেন, শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটির তথ্য অনুযায়ী, ২০০৯ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে দেশ থেকে প্রায় ২৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অবৈধভাবে বিদেশে পাচার হয়েছে, যা বছরে গড়ে ১৬ বিলিয়ন ডলার।

পাচার হওয়া অর্থ একাধিক দেশে স্থানান্তরিত হওয়ায় তা উদ্ধারে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে তথ্য বিনিময়, সম্পদ শনাক্তকরণ এবং পারস্পরিক আইনগত সহায়তা জোরদার করা হচ্ছে। এ জন্য বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

অর্থ পাচারের গন্তব্য হিসেবে প্রাথমিকভাবে ১০টি দেশ চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটি দেশ ইতোমধ্যে চুক্তির বিষয়ে সম্মতি দিয়েছে, আর অন্য দেশগুলোর সঙ্গে আলোচনা চলছে।

প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, পাচার হওয়া অর্থ ফেরাতে ইতোমধ্যে ১৪১টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটির অভিযোগপত্র দাখিল হয়েছে এবং কিছু মামলার রায়ও দেওয়া হয়েছে।

সরকার দুর্নীতি, অর্থপাচার ও আর্থিক অপরাধ দমনে সমন্বিত কৌশলের অংশ হিসেবে বিদেশে পাচার হওয়া সম্পদ পুনরুদ্ধারকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে।

ভিওডি বাংলা/আ

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
শ্রীলঙ্কায় সার্কের সিভিওদের সভা শুরু
শ্রীলঙ্কায় সার্কের সিভিওদের সভা শুরু
এসএসএফের পিস্তল দিয়ে নিশানা পরীক্ষা করলেন প্রধানমন্ত্রী
এসএসএফের পিস্তল দিয়ে নিশানা পরীক্ষা করলেন প্রধানমন্ত্রী
বাংলাদেশি সমর্থকদের নিয়ে বিশেষ ভ্লগ বানাবে আর্জেন্টিনা
বাংলাদেশি সমর্থকদের নিয়ে বিশেষ ভ্লগ বানাবে আর্জেন্টিনা