• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live
টপ নিউজ
জুয়া প্রতিরোধসহ চারটি গুরুত্বপূর্ণ আইনের খসড়া অনুমোদন পরিবেশ রক্ষায় সম্মিলিত উদ্যোগ ছাড়া টেকসই নগরী সম্ভব নয় বিডার ভরসা দেশি বিনিয়োগে ঋণখেলাপি ইস্যুতে উত্তপ্ত সংসদ, তুমুল বিতর্ক চোখের চিকিৎসা সহজলভ্য করতে অপটোমেট্রি পেশার স্বীকৃতি প্রয়োজন: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বিমানবাহিনী কর্মকর্তার স্ত্রী হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার সদরঘাটে নৌ পুলিশের অভিযানে অস্ত্রসহ দুই ডাকাত গ্রেপ্তার মাদক প্রতিরোধে এলাকাভিত্তিক কমিটি গঠনের আহ্বান ডিএসসিসি প্রশাসকের সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের ১২ হাজার কোটি টাকা বনদস্যুতা নির্মূলে বিশেষ অভিযান চালানো হচ্ছে: কোস্ট গার্ড ডিজি

মুরগি-সবজির দামে স্বস্তি, ঊর্ধ্বমুখী মাছ-মাংস ও নিত্যপণ্যের দাম

নিজস্ব প্রতিবেদক    ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:০২ পি.এম.
ফাইল ছবি

রাজধানীর ঢাকার বাজারগুলোতে মুরগি ও সবজির দামে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। তবে মাছ, মাংস, ডিমসহ অন্যান্য নিত্যপণ্যের দাম ঊর্ধ্বমুখী হওয়ায় চাপে রয়েছেন ক্রেতারা।

ব্যবসায়ীদের দাবি, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি ও পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় বাজারে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। ফলে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

সপ্তাহের ব্যবধানে রাজধানীর বাজারে মুরগির দাম কেজিতে সর্বোচ্চ ৫০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। বর্তমানে সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ থেকে ৩৬০ টাকা এবং ব্রয়লার ১৭০ থেকে ১৮০ টাকা কেজি দরে।

এদিকে বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকায় বেশিরভাগ সবজির দামও কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা কমেছে। পটল, করলা ও অন্যান্য গ্রীষ্মকালীন সবজি ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এতে ক্রেতাদের মাঝে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে।

মুরগি ও সবজিতে স্বস্তি থাকলেও মাছের বাজারে দেখা গেছে ভিন্ন চিত্র। মাঝারি মানের রুই মাছ ৩৪০ থেকে ৩৭০ টাকা এবং বড় রুই ৪২০ থেকে ৪৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া তেলাপিয়া, পাবদা, শোল ও টেংরাসহ প্রায় সব ধরনের মাছের দাম কেজিতে ৩০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।

মাছের পাশাপাশি গরু ও খাসির মাংসের দামও নাগালের বাইরে রয়ে গেছে। বর্তমানে গরুর মাংস ৮০০ টাকা এবং খাসির মাংস ১১৫০ থেকে ১২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

চালের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, মাঝারি মানের চালের দাম কেজিতে ২ থেকে ৩ টাকা বেড়েছে। ডিমের বাজারে অস্থিরতা অব্যাহত রয়েছে। এক ডজন ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৩০ থেকে ১৪০ টাকা দরে, যা আগে ১১০ টাকার মধ্যে ছিল।

এছাড়া চিনি ও পেঁয়াজের দামও কেজিতে ৫ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। খোলা চিনির দাম দাঁড়িয়েছে ১১০ টাকা কেজি। তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক না থাকায় অনেকেই বাধ্য হয়ে খোলা তেল কিনছেন।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় পণ্য পরিবহনের খরচ কয়েক গুণ বেড়ে গেছে। আগে ট্রাকের যা ভাড়া ছিল, এখন তা পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। এই অতিরিক্ত ব্যয় সরাসরি খুচরা বাজারে পণ্যের দামে প্রভাব ফেলছে।

ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, আয়ের সঙ্গে ব্যয়ের সমন্বয় করতে গিয়ে তারা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। অনেকে অভিযোগ করেন, বাজারে সরকারি তদারকি দুর্বল হওয়ায় ব্যবসায়ীরা ইচ্ছেমতো দাম বাড়ানোর সুযোগ পাচ্ছেন।

ভিওডি বাংলা/এমএস 

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
প্রস্তাবিত বাজেট বাস্তবসম্মত ও সময়োপযোগী: ওয়েব
প্রস্তাবিত বাজেট বাস্তবসম্মত ও সময়োপযোগী: ওয়েব
তামাকপণ্য সহজলভ্য হলে রাজস্ব আয় কমবে: আহছানিয়া মিশন
তামাকপণ্য সহজলভ্য হলে রাজস্ব আয় কমবে: আহছানিয়া মিশন
প্রস্তাবিত বাজেটে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বরাদ্দ অপ্রতুল: সিপিডি
প্রস্তাবিত বাজেটে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বরাদ্দ অপ্রতুল: সিপিডি