• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১

জবি শিক্ষার্থী হত্যাচেষ্টা : আফজাল নাসের ৩ দিনের রিমান্ডে

   ৫ মে ২০২৬, ০৪:১৮ পি.এম.
ছবি : সংগৃহীত

জুলাই আন্দোলনে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী অনিক কুমার দাসকে হত্যাচেষ্টা মামলায় অবসরপ্রাপ্ত লে. কর্নেল আফজাল নাসেরকে তিন দিনের রিমান্ড দিয়েছেন আদালত। 

ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাঈদ তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনে মঙ্গলবার (৫ মে) এ আদেশ দেন। তদন্তকারী কর্মকর্তা কোতয়ালী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কেএম আবদুল হক আসামিকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন।

রাষ্ট্র পক্ষের আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

গত ৩০ মার্চ গ্রেপ্তারের পর থেকে এখন পর্যন্ত  বিভিন্ন মামলায় তাকে রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। 
আজ প্রথমে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট নাজমিন আক্তারের আদালতে গ্রেপ্তার দেখানোর বিষয় শুনানি হয়। রাষ্ট্রপক্ষে প্রসিকিউটর মুহাম্মদ শামছুদ্দোহা সুমন গ্রেপ্তারের দেখানোর পক্ষে শুনানি করেন। পরে আদালত তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে পরবর্তীতে রিমান্ড শুনানিতে নেওয়া হয়।

রাষ্ট্র পক্ষের আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন। আদালতে তিনি বলেন, এ মামলার বাদী জবি শিক্ষার্থী অনুক কুমার দাস জুলাইয়ের ১৬ তারিখ সিএমেম কোর্ট সংলগ্ন রাস্তায় গুলিবিদ্ধ হন। যেটি ছিল স্বৈরাচার শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় রাখার জন্য আফজাল নাসেরদের প্রচেষ্টা। এজন্য আসামিকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে এ মামলায় জড়িত অন্যান্য আসামি এবং প্রকৃত রহস্য উদঘাটন করা যাবে।

অপর দিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী শওকত হোসেন রিমান্ড বাতিল করে জামিনের আবেদন করেন। 
 
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, জুলাই আন্দোলনের সময় ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক পার হয়ে আন্দোলনকারীরা মহানগর দায়রা জজ কোর্টের সামনে আসলে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগ অতর্কিত গুলি চালায়। এতে আহত হন অনিক। তাকে প্রথমে ন্যাশনাল মেডিক্যাল হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

অপারেশনের পর ২৪ এর ৩১ জুলাই কিছুটা সুস্থ হলে হাসপাতাল ত্যাগ করেন অনিক।
অভিযোগে আরো মামলার ১নং আসামি শেখ হাসিনা ও ২নং আসামি ওবায়দুল কাদেরের সরাসরি উস্কানিতে এবং ৩নং আসামি আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং ১৭ নং আসামি আফজাল নাসের পূর্বপরিকল্পিত নির্দেশনায় শিক্ষার্থীদের ওপর নির্বিচারে গুলি চালানো হয়। এতে জবির অনিক কুমার দাস নামে এক শিক্ষার্থী গুরুতর জখম হন, যার শরীরে এখনো চারটি স্প্লিন্টার রয়েছে। ওই ঘটনায় অনিক কুমার দাস কোতোয়ালি থানায় একটি হত্যাচেষ্টা মামলা করেন।

ভিওডি বাংলা/এসআর

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
অন্তর্বর্তী সরকারের কার্যক্রমের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট
অন্তর্বর্তী সরকারের কার্যক্রমের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট
প্রবাসী জুলাইযোদ্ধাদের ক্ষতিপূরণ দিতে রুল
প্রবাসী জুলাইযোদ্ধাদের ক্ষতিপূরণ দিতে রুল
শাপলা চত্বরেই হত্যা করা হয় ৩২ জনকে, তদন্ত প্রতিবেদন জুনে
শাপলা চত্বরেই হত্যা করা হয় ৩২ জনকে, তদন্ত প্রতিবেদন জুনে