• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির জয়ে অভিনন্দন জানিয়ে তিস্তা চুক্তির আহ্বান বিএনপির

ভিওডি বাংলা ডেস্ক    ৭ মে ২০২৬, ০৭:১৫ এ.এম.
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে জয়ী দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজপি)-কে অভিনন্দন জানিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। 

একইসঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা তিস্তা পানি বণ্টন চুক্তি পুনর্বিবেচনার আহ্বানও জানিয়েছে দলটি।

ঢাকা থেকে পাঠানো এক বার্তায় বিএনপি নেতারা আশা প্রকাশ করেন, পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক পরিবর্তনের ফলে ঢাকা-কলকাতার সম্পর্ক আরও সহজ ও কার্যকর হতে পারে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিএনপির তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে বলেন, নতুন সরকার দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা বাড়াতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। তার মতে, এই পরিবর্তন বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের মধ্যে সম্পর্ককে আরও স্থিতিশীল করবে।

তিনি পশ্চিমবঙ্গের নতুন নেতৃত্বের প্রশংসা করে বলেন, শুভেন্দু অধিকারী-এর নেতৃত্বে বিজেপির এই জয় দুই অঞ্চলের সম্পর্ক উন্নয়নে সহায়ক হবে।

তিস্তা ইস্যুতে প্রত্যাশা
আজিজুল বারী হেলাল বলেন, তিস্তা পানি বণ্টন চুক্তি নিয়ে এখন নতুন করে এগোনোর সুযোগ তৈরি হয়েছে। সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-এর সরকার এই চুক্তির পথে প্রধান বাধা ছিল।

হেলাল আশা করেন, নতুন সরকার ভারতের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব বিশেষ করে নরেন্দ্র মোদি সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করে তিস্তা চুক্তি বাস্তবায়নে অগ্রগতি আনবে।

দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত বিরোধ
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে তিস্তা নদীর পানি বণ্টন দীর্ঘদিন ধরে অমীমাংসিত। ২০১১ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং-এর বাংলাদেশ সফরের সময় একটি চুক্তির প্রস্তাব ওঠে। এতে তিস্তার পানির ৩৭.৫ শতাংশ বাংলাদেশ এবং ৪২.৫ শতাংশ ভারতের জন্য বরাদ্দের কথা বলা হয়েছিল। তবে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের আপত্তির কারণে তা বাস্তবায়িত হয়নি।

এর আগে ১৯৮৩ সালে একটি অন্তর্বর্তী চুক্তিতে বাংলাদেশকে ৩৬ শতাংশ ও ভারতকে ৩৯ শতাংশ পানি দেওয়ার কথা বলা হলেও সেটিও পূর্ণাঙ্গভাবে কার্যকর হয়নি।

শুষ্ক মৌসুমে পানির স্বল্পতা নিয়ে বাংলাদেশ বহুবার উদ্বেগ জানিয়ে এসেছে, যা কৃষি ও জীবিকায় প্রভাব ফেলে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব এই সংকটকে আরও জটিল করে তুলছে।

নদী চুক্তির বাস্তবতা
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে মোট ৫৪টি অভিন্ন নদী থাকলেও এখন পর্যন্ত কেবল দুটি চুক্তি হয়েছে। ১৯৯৬ সালের গঙ্গা পানি চুক্তি এবং কুশিয়ারা নদী চুক্তি। তিস্তা ছাড়াও ফেনীসহ আরও কয়েকটি নদীর পানি বণ্টন নিয়ে আলোচনা চলছে।

বিএনপি বলছে, জাতীয় স্বার্থের প্রশ্নে তারা বিজেপির সঙ্গে একমত হতে পারে বিশেষ করে তিস্তা প্রকল্প ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের মতো বিষয়ে।

ভিওডি বাংলা/এসআর


মন্তব্য

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
রাতে ঢাকায় পৌঁছাবেন প্রধানমন্ত্রী
রাতে ঢাকায় পৌঁছাবেন প্রধানমন্ত্রী, বিমানবন্দরে স্বাগত জানাবেন মন্ত্রীরা
ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল
সংসদ অধিবেশন মুলতবি
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
গুমের শিকার পরিবারের জন্য বিশেষ ভাতা চালু করা হবে: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী