ক্রীড়া কূটনীতিতে বাংলাদেশ-তুরস্কের ঐতিহাসিক চুক্তি

আন্তর্জাতিক ক্রীড়া কূটনীতির ক্ষেত্রে এক অভূতপূর্ব পদক্ষেপ হিসেবে তুরস্ক প্রজাতন্ত্র এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মধ্যে ক্রীড়া ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদার করার লক্ষ্যে একটি বিস্তৃত সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।
এই ঐতিহাসিক চুক্তির মাধ্যমে দুই ভ্রাতৃপ্রতিম দেশের মধ্যে যুব উন্নয়ন, পেশাদার অ্যাথলেটদের অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং ক্রীড়া ব্যবস্থাপনার আধুনিকীকরণের এক নতুন যুগের সূচনা হলো।
বাংলাদেশের পক্ষে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক এবং তুরস্কের পক্ষে দেশটির মাননীয় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রী ওসমান আসকিন বাক এই ঐতিহাসিক সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।

এই অংশীদারিত্বের ফলে দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে বলে আশা করা হচ্ছে। চুক্তি অনুযায়ী, উভয় দেশ ক্রীড়া ক্ষেত্রে জ্ঞান ও দক্ষতা বিনিময়ের একটি বহুমুখী কাঠামো তৈরি করবে।
এর আওতায় প্রধান ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন ও অর্থায়নের পদ্ধতি নিয়ে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের জন্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ও বিশেষজ্ঞরা পারস্পরিক সফর করবেন। একইসঙ্গে বিশ্বমানের ক্রীড়া অবকাঠামো ব্যবস্থাপনা এবং এর অর্থায়নের ক্ষেত্রে উভয় দেশ কারিগরি তথ্য ও শিক্ষা উপকরণ ভাগ করে নেবে।
সামাজিক অন্তর্ভুক্তির বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে এই সমঝোতা স্মারকে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য ক্রীড়া সুবিধা নিশ্চিতকরণ এবং বিশেষ সহায়তা কর্মসূচি নিয়ে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে উভয় দেশের ক্রীড়াঙ্গনে সততা ও নৈতিকতার সর্বোচ্চ মান বজায় রাখার বিষয়েও একমত হয়েছেন দুই মন্ত্রী।
এই যুগান্তকারী চুক্তির ফলে বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনে বাংলাদেশ ও তুরস্কের অ্যাথলেটদের পারফরম্যান্সের মান উন্নত হওয়ার পাশাপাশি ক্রীড়ার মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে গভীর সাংস্কৃতিক মেলবন্ধন তৈরি হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ভিওডি বাংলা/জা







