• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live

দেশে আসছে কারিনার মরদেহ, নানির বাড়িতে দাফন

বিনোদন ডেস্ক    ১৭ মে ২০২৬, ১০:৪২ এ.এম.
কারিনা কায়সার। ছবি: ভিওডি বাংলা

দেশের জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও অভিনেত্রী কারিনা কায়সার আর নেই। ভারতের চেন্নাইয়ের ভেলোরে অবস্থিত খ্রিষ্টান মেডিকেল কলেজ (সিএমসি) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত শুক্রবার (১৫ মে) তার মৃত্যু হয়। দীর্ঘদিন ধরে লিভারজনিত জটিলতায় ভুগছিলেন তিনি। 

কারিনা কায়সারের মরদেহ ভারত থেকে দেশে আনার দায়িত্ব নিয়েছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স। বেসরকারি বিমান সংস্থাটি বিনা খরচে মরদেহ ঢাকায় পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে।

রোববার (১৭ মে) দুপুরে পরিবার সূত্রে জানা গেছে, কারিনার মরদেহদেশে আনা হচ্ছে। কিংবদন্তি দাবাড়ু রানি হামিদ এবং প্রয়াত ক্রীড়া সংগঠক আবদুল হামিদের সন্তান কায়সার হামিদ  সংবাদমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, সব আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে মরদেহ বিমানযোগে ঢাকায় পৌঁছাবে।

বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পরপরই মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে রাজধানীর একটি নির্ধারিত স্থানে। বাদ আসর সেখানে জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। জানাজা শেষে মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ার একটি গ্রামে, যেখানে তার নানির পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।

পরিবারের ঘনিষ্ঠ সূত্র জানায়, কারিনার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে গত ৮ মে তাকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সে সময় তিনি হঠাৎ জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন এবং পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকের পরামর্শে তাকে চেন্নাইয়ে স্থানান্তর করা হয় এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে।

গত সোমবার রাতে তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে ভারতের চেন্নাইয়ে নেওয়া হয়। তার সঙ্গে ছিলেন মা এবং দুই ভাই। সেখানকার চিকিৎসকেরা প্রথমে ফুসফুস ও সংক্রমণজনিত সমস্যার চিকিৎসা শুরু করেন। পরবর্তীতে লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্টের প্রস্তুতিও নেওয়া হচ্ছিল বলে জানা যায়। তবে শেষ পর্যন্ত তার শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটে এবং তাকে আর বাঁচানো সম্ভব হয়নি।

পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, চিকিৎসার সময় ফুসফুসে অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োগের পর হঠাৎ তার রক্তচাপ অনেক কমে যায়। এরপর চিকিৎসকেরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করলেও তাকে পুনরুদ্ধার করা যায়নি।

কারিনার অসুস্থতার খবর প্রথম প্রকাশ করেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর কামরুন নাহার ডানা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, কারিনার হেপাটাইটিস এ ও ই ধরা পড়ে, যা ধীরে ধীরে লিভার ফেইলরের দিকে নিয়ে যায়। পরে তাকে আইসিইউতে রাখা হয় এবং অবস্থার অবনতি হলে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়।

হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার আগে প্রায় এক সপ্তাহ ধরে জ্বরে ভুগছিলেন কারিনা। হঠাৎ জ্ঞান হারানোর পর তার পরিবার দ্রুত তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখান থেকেই শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা প্রক্রিয়া।

কারিনা কায়সার শুধু একজন কনটেন্ট ক্রিয়েটরই ছিলেন না, তিনি অভিনয় ও চিত্রনাট্য রচনার সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে তার বেশ কিছু কাজ দর্শকদের মধ্যে জনপ্রিয়তা পেয়েছিল। বিশেষ করে চরকি অরিজিনাল সিরিজ ‘ইন্টার্নশিপ’ এবং ‘৩৬–২৪–৩৬’-এ তার কাজ প্রশংসিত হয়।

ভিওডি বাংলা/জা

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
না ফেরার দেশে কনটেন্ট ক্রিয়েটর কারিনা কায়সার
না ফেরার দেশে কনটেন্ট ক্রিয়েটর কারিনা কায়সার
শাকিব খানের সিনেমায় ভারতের সুনিধি
শাকিব খানের সিনেমায় ভারতের সুনিধি
অবশেষে সংসার ভাঙার গুঞ্জন নিয়ে মুখ খুললেন মৌনি
অবশেষে সংসার ভাঙার গুঞ্জন নিয়ে মুখ খুললেন মৌনি