{# Dark-theme overrides for the above-the-fold critical surfaces. Inlined so dark users don't flash a light background while the async dark.css is still loading. #}
  • ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live
টপ নিউজ
প্রশাসকদের আন্তরিকতায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ কার্যক্রমে গতি এসেছে: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী ইরানের সাথে যুদ্ধে প্রায় ১০০ মার্কিন সেনা আহত: পেন্টাগন জেল খাটাকালীনও মডেলিংয়ের স্বপ্ন দেখিয়ে তরুণীদের ধর্ষণ মানবিক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি, আনসার সদস্যকে মহাপরিচালকের সম্মাননা জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক রূপান্তরের প্রধান কারিগর যাদু মিয়া : তথ্যমন্ত্রী মোদির বাড়ির সামনে থেকে রাহুল গান্ধী আটক সরকারের অগ্রাধিকার কর্মসূচিতে সহযোগিতার আগ্রহ বিশ্বব্যাংকের মুগদায় বিশেষ অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ৯ জন গ্রেপ্তার পদত্যাগ করলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এমরান খান ফ্যামিলি কার্ডসহ সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিতে সহযোগিতার আগ্রহ ডব্লিউএফপির

ক্ষমতাসীন বিজেপিকে ৪ দিনেই টপকালো ‘ককরোচ জনতা পার্টি’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক    ২১ মে ২০২৬, ০৪:১০ পি.এম.
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

রাজনৈতিক দল নয়, ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপিকে টপকে গেল ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ নামের এক ব্যঙ্গাত্মক রাজনৈতিক মঞ্চ। ফলোয়ার সংখ্যায় মাত্র চারদিনে বিজেপিকেও ছাপিয়ে গেছে এই নতুন সংগঠন, যা ভাবাচ্ছে অনেককে। 

বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকাল পর্যন্ত ইনস্টাগ্রামে বিজেপির ৮৭ লাখ অনুসরণকারীর বিপরীতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র ফলোয়ার সংখ্যা ১ কোটি ১১ লাখ। কংগ্রেসের সংখ্যা ১ কোটি ৩২ লাখের মতো।

মঞ্চটির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে সামাজিক মাধ্যমে বিজেপিকে খোঁচা দিয়ে তিনি লিখেছেন, ‘যুবশক্তিকে ছোট করে দেখবেন না।’ আর একটি পোস্টে কটাক্ষ করে বলেন, ‘বিশ্বের বৃহত্তম দল বলেছিল!’

মাত্র ৫০-এর কিছু বেশি পোস্ট করা ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ মাত্র ৭৮ ঘণ্টার মধ্যেই ৩০ লাখ অনুসরণকারী পেরিয়ে যায়। এখন সেই সংখ্যা ১ কোটির গণ্ডিও ছাড়িয়েছে। । অন্যদিকে বিজেপির ইনস্টাগ্রামে পোস্ট ১৮ হাজারেরও বেশি।
 
ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তের একটি মন্তব্য ঘিরে সম্প্রতি তুমুল আলোচনা-সমালোচনা হয়। আদালতে শুনানির সময় তিনি বেকার যুবকদের একাংশকে ‘তেলাপোকা’ ও ‘পরজীবী’র সঙ্গে তুলনা করেছিলেন। পরে অবশ্য প্রধান বিচারপতি জানান, তার মন্তব্য বিকৃত করা হয়েছে। কিন্তু তার আগেই সামাজিক মাধ্যমে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। সেই ক্ষোভ থেকেই ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র জন্ম বলে দাবি প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকের। 

পুনে-তে সাংবাদিকতা পড়ার পরে উচ্চশিক্ষার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে যান অভিজিৎ। বর্তমানে জনসংযোগ নিয়ে পড়াশোনা করছেন। দিল্লি বিধানসভা ভোটে মিম-নির্ভর প্রচারে তার দারুন ভূমিকা রাখেন। ২০২০ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত আম আদমি পার্টির সোশ্যাল মিডিয়া প্রচারে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবেও কাজ করেছেন তিনি।
 
‘অলস ও বেকারদের কণ্ঠস্বর’, এই স্লোগান নিয়েই পথে নেমেছে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’। তাদের দাবি, এই সংগঠন সেই মানুষদের প্রতিনিধিত্ব করছে, ‘যাদের হিসেবই রাখেনি সিস্টেম’।
 
দলের পাঁচ দফা ইসতেহারেও আছে রাজনৈতিক খোঁচা। দলবদল করা বিধায়ক-সাংসদদের ২০ বছরের জন্য ভোটে নিষেধাজ্ঞা, মন্ত্রিসভায় ৫০ শতাংশ নারী সংরক্ষণ, অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতিদের রাজ্যসভায় পাঠানো বন্ধের দাবি ইত্যাদি। পাশাপাশি ‘গোদি মিডিয়া’র সঞ্চালকদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট তদন্তের দাবিও জানানো হয়েছে।
 
সামাজিক মাধ্যমে ইতোমধ্যেই এই মঞ্চকে সমর্থন জানিয়েছেন মহুয়া মৈত্র, কীর্তি আজাদের মতো নেতারা। কীর্তি মজা করে লিখেছেন, ‘দলে যোগ দিতে চাই, যোগ্যতা কী?’ জবাবে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র খোঁচা, ‘১৯৮৩-র বিশ্বকাপ জেতাই যথেষ্ট।’

ভিওডি বাংলা/আ


মন্তব্য

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
ছবি: সংগৃহিত
ভারতের কাবেরী থেকে চীনের জে-২০: চার দশকের দৌড়ে কে এগিয়ে?
ছবি: সংগৃহিত
স্বামীর কর্মস্থলে স্ত্রীর অভিযোগ করা নিয়ে যা বলছে ভারতের আদালত
ছবি: সংগৃহিত
ক্যামেরায় ধরা পড়েনি দিল্লির যে গল্প