ইসরায়েলে হিজবুল্লাহর ড্রোন-রকেট হামলা

লেবানন সীমান্ত ঘিরে উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। উত্তর ইসরায়েলের কিরিয়াত শমোনা এলাকায় রকেট ও ড্রোন হামলার দাবি করেছে ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র সংগঠন হিজবুল্লাহ। হামলার পর এলাকায় ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে এবং বিভিন্ন স্থানে সতর্কতামূলক সাইরেন বেজে ওঠে।
শনিবার (৩০ মে) প্রকাশিত আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে ভিডিওচিত্রসহ হামলার ফলে ইসরায়েলের বিভিন্ন অঞ্চলে সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতির দৃশ্য তুলে ধরা হয়। তবে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, এসব হামলায় কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, লেবানন থেকে উৎক্ষেপণ করা একটি ড্রোন ইসরায়েলের আকাশসীমায় প্রবেশের পর তা ভূপাতিত করা হয়। এছাড়া আরেকটি সন্দেহভাজন আকাশযান সীমান্তবর্তী এলাকায় ইসরায়েলের ভূখণ্ডে বিধ্বস্ত হয়েছে বলে তারা দাবি করেছে।
প্রতিবেদনে স্থানীয় সূত্রের বরাত দিয়ে বলা হয়, লেবানন থেকে উত্তর ইসরায়েলের দিকে অন্তত ১০টি রকেট নিক্ষেপ করা হয়েছে। এ ঘটনায় পশ্চিম গ্যালিলি এলাকায় বিমান হামলার সতর্কসংকেত সক্রিয় করা হয়।
অন্যদিকে হিজবুল্লাহ জানিয়েছে, পূর্ব লেবাননের জৌতার শহরের উপকণ্ঠে অবস্থান নেওয়া ইসরায়েলি বাহিনীর একটি মারকাভা ট্যাংককে লক্ষ্য করে তারা নির্দেশিত ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে।
সংগঠনটির দাবি, দক্ষিণ লেবাননের দাবেইন শহরের উপকণ্ঠে অগ্রসরমান ইসরায়েলি সেনাদের লক্ষ্য করে বিস্ফোরক ডিভাইস ব্যবহার করা হয়েছে। পাশাপাশি সেখানে দুই পক্ষের মধ্যে সরাসরি সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেছে বলে জানিয়েছে হিজবুল্লাহ।
এদিকে দক্ষিণ লেবাননের গুরুত্বপূর্ণ শহর নাবাতিয়াহর উপকণ্ঠে বর্তমানে ইসরায়েলি বাহিনীর অবস্থানের খবর পাওয়া গেছে। অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক গুরুত্বের কারণে শহরটি দীর্ঘদিন ধরেই ইসরায়েল-লেবানন সংঘাতের অন্যতম স্পর্শকাতর অঞ্চল হিসেবে পরিচিত।
ভিওডি বাংলা/এমএস







