সীমান্ত ইস্যুতে উদ্বেগ জানাল ইসলামী আন্দোলন

সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের এক শীর্ষস্থানীয় নেতা। ভারতের বিভিন্ন সীমান্তে মুসলমানদের ‘বাংলাদেশি’ হিসেবে চিহ্নিত করে পুশইনের অভিযোগ তুলে বিষয়টি আন্তর্জাতিকভাবে আলোচনার দাবি জানিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (০৪ জুন) এক বিবৃতিতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সহকারী মহাসচিব এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম বলেন, বিএসএফ সম্প্রতি ১৩ জনকে বাংলাদেশ সীমান্তের দিকে ঠেলে দিয়েছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক ঘটনা।
তিনি আরও জানান, এর আগে জুন মাসে এক বৃদ্ধাকে বিএসএফ সীমান্তে এনে বাংলাদেশে ঠেলে দেয়। বর্তমানে ওই নারী ঢাকার মিরপুরে মানবেতর জীবনযাপন করছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।
বিভিন্ন সীমান্ত, বিশেষ করে যশোরের বেনাপোল সীমান্তসহ একাধিক স্থানে নারী ও শিশুসহ অন্তত ১৩ জনকে ‘বাংলাদেশি’ আখ্যা দিয়ে বাংলাদেশে পাঠানোর চেষ্টা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)—এমন ঘটনাকে তিনি আন্তর্জাতিক আইনবিরোধী বলে মন্তব্য করেন। এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে আলোচনার উদ্যোগ নিতে তিনি বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন, ভারতের নির্বাচন কমিশন কর্তৃক ‘বিশেষ নিবিড় সংশোধন’ (ঝওজ) প্রক্রিয়ার আওতায় পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকা থেকে প্রায় ৯০ লক্ষ (৯ মিলিয়ন) ভোটারের নাম বাদ দেওয়া এবং ভারতের নাগরিকত্ব সংশোধন আইন (সিএএ) সংক্রান্ত বিষয়গুলো আগে ভারতের অভ্যন্তরীণ ইস্যু হিসেবে দেখা হলেও, এখন এর প্রভাব বাংলাদেশের ওপরও পড়ছে।
তিনি বলেন, “এখন আর এটি শুধু ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয় নয়; এটি একটি আন্তর্জাতিক ইস্যুতে পরিণত হয়েছে।” এ কারণে বিষয়টি নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কঠোর আলোচনা করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
বার্তা প্রেরক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে শফিকুল ইসলাম, প্রচার ও দাওয়াহ সম্পাদক, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ।
ভিওডি বাংলা/এমএস







