• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live

পাবলিক পরীক্ষায় ডিজিটাল কারসাজিতে পাঁচ বছর কারাদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক    ২৯ জুন ২০২৬, ১২:০২ পি.এম.
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

পাবলিক পরীক্ষায় ডিজিটাল কারসাজি ও ডেটাবেজে অননুমোদিত প্রবেশকে অপরাধ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে শাস্তির বিধান রেখে জাতীয় সংসদে একটি সংশোধনী বিল উত্থাপন করা হয়েছে। বিলটি পরীক্ষা করে আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে সংসদীয় কমিটিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রোববার (২৮ জুন) জাতীয় সংসদে ‘পাবলিক এক্সামিনেশনস অফেন্সেস অ্যামেন্ডমেন্ট বিল, ২০২৬’ উত্থাপন করেন শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন।

বিলের উদ্দেশ্য ও কারণসংবলিত বিবৃতিতে বলা হয়, পাবলিক পরীক্ষায় নকল, প্রশ্নফাঁস, জাল সনদ তৈরি এবং অন্যান্য অনিয়ম প্রতিরোধে প্রায় ৪৫ বছর আগে ‘দি পাবলিক এক্সামিনেশনস (অফেন্সেস) অ্যাক্ট, ১৯৮০’ প্রণয়ন করা হয়। তবে প্রযুক্তির ব্যাপক ব্যবহার এবং ডিজিটাল মাধ্যমে পরীক্ষাসংক্রান্ত অপরাধ বৃদ্ধির কারণে বিদ্যমান আইনের বেশ কয়েকটি ধারা এখন আর সময়োপযোগী নয়।

প্রস্তাবিত সংশোধনীর মাধ্যমে ডিজিটাল ব্যবস্থা ও অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে সংঘটিত পরীক্ষাসংক্রান্ত অপরাধগুলোকে আইনের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর লক্ষ্য সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও অসদুপায়মুক্ত পরীক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করা।

বিলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন হিসেবে ‘ডিজিটাল কারসাজি’ শব্দটির সংজ্ঞা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর আওতায় সাইবার উপায়ে পরীক্ষার ডেটাবেজে অননুমোদিত প্রবেশ এবং যেকোনো ধরনের ডিজিটাল কারসাজিকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হবে।

প্রস্তাবিত আইনে ডিজিটাল কারসাজির অপরাধে দোষী ব্যক্তির সর্বোচ্চ পাঁচ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

এ ছাড়া সংঘবদ্ধভাবে পরীক্ষায় জালিয়াতি, প্রশ্নফাঁস বা এ ধরনের অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে অপরাধীচক্র গঠন বা পরিচালনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে আরও কঠোর শাস্তি ও আর্থিক জরিমানার প্রস্তাব করা হয়েছে।

সরকারের মতে, ডিজিটাল যুগে পাবলিক পরীক্ষার স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা বজায় রাখতে উদ্ভূত নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এ সংশোধনী প্রয়োজনীয়।

ভিওডি বাংলা/আ


মন্তব্য

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
ছবি: সংগৃহীত
পরীক্ষাকেন্দ্রে সিসিটিভি বাধ্যতামূলক, মাঠে থাকবে বডি-ওর্ন ক্যামেরা
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন
শিক্ষকদের গ্রামে পাঠানোর হুঁশিয়ারি মন্ত্রীর
ছবি: সংগৃহীত
ববি হাজ্জাজ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংগীত ব্যাকগ্রাউন্ডের গ্র্যাজুয়েটদের শিক্ষকতার সুযোগ