• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live

টিকে থাকার লড়াইয়ে গাজার হাসপাতালগুলো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক    ২৯ জুন ২০২৬, ০৪:০০ পি.এম.
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর গাজার মানুষ আশা করেছিলেন স্বাস্থ্য পরিস্থিতির উন্নতি হবে। গুরুতর অসুস্থ রোগীরা চিকিৎসার জন্য গাজার বাইরে যেতে পারবেন, হাসপাতালে পৌঁছাবে ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম।

কিন্তু বাস্তবে সেই প্রত্যাশা পূরণ হয়নি বলে অভিযোগ করছেন চিকিৎসকেরা।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের অক্টোবরে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তি অনুযায়ী প্রায় ২১ হাজার রোগীকে চিকিৎসার জন্য গাজার বাইরে যাওয়ার সুযোগ দেওয়ার কথা ছিল। এদের মধ্যে এক-তৃতীয়াংশের অবস্থা ছিল সংকটাপন্ন। প্রত্যেক রোগীর সঙ্গে দুইজন করে স্বজন যাওয়ার কথাও ছিল।

তবে এখন পর্যন্ত সাড়ে সাত হাজারেরও কম মানুষ গাজা ছাড়তে পেরেছেন। অর্থাৎ চুক্তিতে উল্লেখিত সংখ্যার মাত্র ৩৬ শতাংশ বাস্তবায়িত হয়েছে।

আল জাজিরার গাজা প্রতিনিধি তারেক আবু আজ্জুম জানিয়েছেন, জরুরি চিকিৎসার অনুমোদন পাওয়া হাজার হাজার মানুষ এখনও গাজার ভেতরেই আটকে আছেন। তাদের অনেকের অবস্থাই গুরুতর এবং সময়মতো চিকিৎসা না পেলে তারা মারা যেতে পারেন।

গাজার নাসের হাসপাতালের শিশু বিভাগের প্রধান ডা. আহমেদ আল-ফাররা বলেন, যুদ্ধবিরতির পর তারা ভেবেছিলেন পরিস্থিতির উন্নতি হবে। কিন্তু তার দাবি, গত এক হাজার দিনের মধ্যে বর্তমান সময়টাই সবচেয়ে কঠিন।

তার ভাষায়, "আমরা ভেবেছিলাম যুদ্ধবিরতির পর সবকিছু বদলে যাবে। আমরা আশা করেছিলাম প্রচুর চিকিৎসা সরঞ্জাম গাজায় আসবে। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে তা ঘটেনি।"

তিনি আরও বলেন, "আমরা একে স্বাস্থ্য খাতের বিরুদ্ধে গণবিধ্বংস বলি। হাসপাতালগুলোকে কার্যত অচল করে দেওয়া হচ্ছে। সেখানে পর্যাপ্ত চিকিৎসক নেই, ওষুধ নেই, চিকিৎসা সরঞ্জামও নেই।"

গাজার হাসপাতালগুলোতে বর্তমানে ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জামের ঘাটতির পাশাপাশি চিকিৎসক সংকটও রয়েছে। ফলে অনেক অস্ত্রোপচার পিছিয়ে যাচ্ছে এবং গুরুতর রোগীদের চিকিৎসা ব্যাহত হচ্ছে।

অন্যদিকে ইসরায়েল এবং গাজার স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের মধ্যে রোগী স্থানান্তর, চিকিৎসা সরঞ্জাম প্রবেশ এবং যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়ন নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য রয়েছে।

সূত্র: আল জাজিরা

ভিওডি বাংলা/আরআর/আ


মন্তব্য

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
ছবি: সংগৃহীত
কাতারে জব্দ থাকা ৬০০ কোটি ডলার ফেরত পাবে ইরান, দাবি প্রেসিডেন্টের
ছবি: সংগৃহীত
উগান্ডায় শীর্ষ দুই গণমাধ্যম বন্ধের নির্দেশ সেনাপ্রধানের
ছবি: সংগৃহীত
ভূমিকম্পের তিন দিন পর ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিত দুই বালক উদ্ধার