বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরো জোরদারে করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র

বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ, সাংস্কৃতিক বিনিময় এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরো জোরদারে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন।
শনিবার (৪ জুলাই) রাজধানীর গুলশানের বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ পার্কে দেশটির স্বাধীনতার ২৫০তম বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত আমেরিকান ফেয়ারে অংশ নিয়ে এ আগ্রহ প্রকাশ করেন তিনি।
এ সময় তিনি সম্প্রতি বাংলাদেশের বেশ কয়েকটি জেলায় ঘুরে আসার অভিজ্ঞতার কথা জানান। বলেন, বাংলাদেশের পরিবেশ, কালচার ও মানুষের ব্যবহার তাকে মুগ্ধ করেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ২৫০তম বার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশে সাত দিনব্যাপী ‘আমেরিকা সপ্তাহ ২০২৬’ উদযাপন করছে ঢাকায় অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস।
এরই অংশ হিসেবে পার্কটিতে মেলার আয়োজন করা হয়। স্টলগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাস, সংস্কৃতির ও খাবারের পাশাপাশি রয়েছে পোশাকের উপস্থাপনাও। দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ফ্রিডম ২৫০ উদ্যোগের অংশ হিসেবে আয়োজিত এ কর্মসূচি ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট ও রাজশাহীতেও অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন বাংলাদেশে ১৯তম রাষ্ট্রদূত হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্ব করছেন। তিনি সর্বশেষ ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে অক্টোবর পর্যন্ত অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি অব স্টেটের দায়িত্বপ্রাপ্ত সিনিয়র কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করেছেন। এ সময় তিনি বৈশ্বিক নিরাপত্তা সহযোগিতা, নিরাপত্তা সহায়তা, সন্ত্রাসবাদ দমন, মাদকবিরোধী কার্যক্রম এবং অস্ত্র বিস্তাররোধ কার্যক্রম তদারকি করেন।
তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সিনিয়র ফরেন সার্ভিসের একজন ক্যারিয়ার কর্মকর্তা। এর আগে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্র্যাটেজিক কমান্ডের কমান্ডারের পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে এবং ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিষয়ক কাউন্সেলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
তার বিদেশি নিয়োগগুলোর মধ্যে ফিলিপাইন, এল সালভাদর ও ভিয়েতনামে যুক্তরাষ্ট্রের মিশনগুলোতে দায়িত্ব পালনও রয়েছে।
ওয়াশিংটনে তিনি রাজনৈতিক-সামরিক বিষয়ক ব্যুরোর আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও অস্ত্র হস্তান্তর দপ্তরের উপপরিচালক, উত্তর কোরিয়া নীতি বিষয়ক বিশেষ প্রতিনিধির বিশেষ সহকারী, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদের পররাষ্ট্র সম্পর্কবিষয়ক কমিটিতে ফেলো এবং দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক ব্যুরোতে বাংলাদেশের দেশ কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করেছেন।
ভিওডি বাংলা/এফএ








মন্তব্য