দুর্দান্ত সব সেভ করে প্রথমার্ধের নায়ক বুনু

মরক্কোর গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনুর দুর্দান্ত সব সেভের কারনে গোলশূন্য সমতায় শেষ হয়েছে ফ্রান্স–মরক্কো মধ্যকার কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথমার্ধ।
শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলছে ফ্রান্স। ম্যাচের প্রথম পাঁচ মিনিটেই দুবার গোলের খুব কাছে পৌঁছে যায় দুবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। তবে দুইবারই দুর্দান্ত সেভ করে মরক্কোকে রক্ষা করেন গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনু।
প্রথম ২০ মিনিটে বলের দখল ও আক্রমণে স্পষ্ট আধিপত্য ছিল ফ্রান্সের। একাধিক সুযোগ তৈরি করলেও শেষ পর্যন্ত গোলের দেখা পায়নি তারা। অন্যদিকে মরক্কো প্রতি-আক্রমণনির্ভর ফুটবল খেললেও ফরাসি রক্ষণকে তেমন কোনো কঠিন পরীক্ষায় ফেলতে পারেনি।
ম্যাচের ২৯তম মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার সুবর্ণ সুযোগ পায় ফ্রান্স। পেনাল্টি থেকে শট নেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। তবে তার দুর্বল শট সহজেই ঠেকিয়ে দেন ইয়াসিন বুনু।
ফ্রান্সের জার্সিতে টানা ১৫টি পেনাল্টি ও স্পট-কিক সফলভাবে জালে জড়ানোর পর এবারই প্রথম ব্যর্থ হলেন এমবাপ্পে। এর আগে জাতীয় দলের হয়ে সর্বশেষ ২০২০ ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপের শেষ ষোলোতে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে টাইব্রেকারে পেনাল্টি মিস করেছিলেন তিনি।
বিশ্বকাপে টাইব্রেকারসহ এখন পর্যন্ত প্রতিপক্ষের নেওয়া ৯টি পেনাল্টির মুখোমুখি হয়েছেন ইয়াসিন বুনু। এর মধ্যে মাত্র দুটি থেকে গোল হজম করেছেন মরক্কোর এই গোলরক্ষক। বাকি সাতটির মধ্যে চারটি সেভ করেছেন, আর তিনটি শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়েছে।
এরপর বক্সের বাইরে থেকে দুর্দান্ত এক শট নেন লুকাস দিনিয়ে। তবে ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে বল। শটটি বাতাসে দিক পরিবর্তন করায় সেটি গোলরক্ষকের জন্যও কঠিন হয়ে উঠেছিল।
৩৬তম মিনিটে আবারও নায়ক বনে যান বুনু। বক্সে ঢুকে দেজিরে দুয়ের নেওয়া শট চমৎকারভাবে ঠেকিয়ে ফ্রান্সকে আরেকবার গোলবঞ্চিত করেন তিনি।
ফলে একের পর এক আক্রমণ চালিয়েও প্রথমার্ধের গোলের দেখা পায়নি ফ্রান্স। এতে প্রথমার্ধ ০-০ গোলেই শেষ হয়।
ভিওডি বাংলা/আ








মন্তব্য