জয়েনপুর আদর্শ কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষকে মাউশির শোকজ

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার জয়েনপুর আদর্শ কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আব্দুল বারী সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।
মাউশির কলেজ শাখা-৩ (বেসরকারি কলেজ) থেকে ২৭ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা এক পত্রে বলা হয়, সাদুল্লাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দাখিলকৃত তদন্ত প্রতিবেদন এবং অধিদপ্তরের নির্দেশে নিয়োগপ্রাপ্ত তদন্ত কর্মকর্তার মতামতের ভিত্তিতে অভিযোগগুলোর প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। তদন্তে কলেজ-সংক্রান্ত বিভিন্ন নথি ও বিনিময় দলিলের মাধ্যমে অনিয়মে হস্তক্ষেপের বিষয়ও উঠে এসেছে বলে পত্রে উল্লেখ করা হয়।
এর পরিপ্রেক্ষিতে, বেসরকারি কলেজ (জনবল) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা, ২০২১ এবং বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এ বর্ণিত শৃঙ্খলামূলক কার্যক্রমের বিধান অনুসারে কেন তার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, সে বিষয়ে আগামী ৫ (পাঁচ) কর্মদিবসের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আব্দুল বারী সরকারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রচলিত বিধি অনুযায়ী, শোকজের সন্তোষজনক জবাব দিতে ব্যর্থ হলে বা অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর বিধান অনুযায়ী সতর্কীকরণ, তিরস্কার, সাময়িক বরখাস্ত, অপসারণ বা প্রযোজ্য অন্যান্য প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে।
একই সঙ্গে বিষয়টি জয়েনপুর আদর্শ কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতিকে অবহিত করা হয়েছে। এছাড়া পত্রটির অনুলিপি মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের রংপুর অঞ্চলের পরিচালক, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা (গাইবান্ধা) এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) কোনো চূড়ান্ত শাস্তি নয়; এটি শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের পূর্বে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়ার একটি আইনসম্মত প্রশাসনিক প্রক্রিয়া।
ভিওডি বাংলা/জা








মন্তব্য