{# Dark-theme overrides for the above-the-fold critical surfaces. Inlined so dark users don't flash a light background while the async dark.css is still loading. #}
  • ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live
টপ নিউজ
ইরান ভ্রমণে ভারতীয় নাগরিকদের বিশেষ সতর্কতা ডিসেম্বরে চালু হচ্ছে থার্ড টার্মিনাল জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৭ জুলাইয়ের পরীক্ষার তারিখ পরিবর্তন যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে তারেক রহমানের অ‌ভিনন্দন স্থানীয় নির্বাচন দলীয় প্রতীকে হবে না: মির্জা ফখরুল যুগপৎ আন্দোলনের মিত্রদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর প্রথম নৈশভোজ স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থিতা নিয়ে শরিকদের সঙ্গে আলোচনা হবে: মির্জা ফখরুল যেভাবে নির্বাচন ছাড়াই বৃটেনের প্রধানমন্ত্রী বার্নহ্যাম জোট শরিকদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী সংস্কারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন না হলে রাজপথে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি নাহিদের

বিশ্লেষণ

যে কারণে দিল্লিতে এত বড় বিক্ষোভ, যেভাবে সূত্রপাত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক    ২০ জুলাই ২০২৬, ০৭:৩৪ পি.এম.
যে কারণে দিল্লিতে এত বড় বিক্ষোভ, যেভাবে সূত্রপাত
ছবি: সংগৃহীত

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লি আবারও বড় ধরনের রাজনৈতিক বিক্ষোভের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। 'চলো সংসদ' কর্মসূচিকে ঘিরে হাজারো আন্দোলনকারী যন্তর-মন্তরে জড়ো হলে তাদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ, লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। পরে আন্দোলনকারী ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে বসে কেন্দ্রীয় সরকার। ঘটনাটি শুধু একটি দিনের বিক্ষোভ নয়; বরং কয়েক সপ্তাহ ধরে জমে ওঠা অসন্তোষের বহিঃপ্রকাশ বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকেরা।

আন্দোলনের সূত্রপাত
সিজেপির অভিযোগ, সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন জাতীয় পর্যায়ের পরীক্ষায় অনিয়ম, প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতার অভাব নিয়ে সরকারের জবাবদিহি নেই। সংগঠনটি দাবি করছে, এসব ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত, দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ নিশ্চিত করতে হবে।

এই দাবিগুলো সামনে রেখে দেশটির বিভিন্ন রাজ্যে সভা-সমাবেশ শুরু হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারণা, শিক্ষার্থী ও তরুণদের সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং বিভিন্ন নাগরিক সংগঠনের সমর্থনে আন্দোলন দ্রুত বিস্তার লাভ করে। শেষ পর্যন্ত দিল্লিমুখী 'চলো সংসদ' কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়।

কেন উত্তপ্ত হলো দিল্লি
দিল্লি পুলিশ রোববারই কর্মসূচির অনুমতি দেয়নি এবং রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় বড় ধরনের জমায়েতের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে। তবে সোমবার সকাল থেকেই হাজারো আন্দোলনকারী যন্তর-মন্তরে জড়ো হন এবং সংসদের দিকে পদযাত্রার চেষ্টা করেন।

পুলিশ ব্যারিকেড দিয়ে তাদের অগ্রযাত্রা ঠেকিয়ে দিলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। একপর্যায়ে লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করা হয়। এর ফলে কয়েক ঘণ্টার জন্য রাজধানীর রাজনৈতিক কেন্দ্রজুড়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

কেন আলোচনায় বসল সরকার
সংঘর্ষের মধ্যেই সিজেপির একটি প্রতিনিধিদল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও ক্ষমতাসীন বিজেপির সভাপতি জগৎ প্রকাশ (জে পি) নাড্ডার সঙ্গে বৈঠক করে। প্রতিনিধিদল সরকারের কাছে তিন দফা দাবিসংবলিত একটি স্মারকলিপি জমা দেয়।

বৈঠকের পর জে পি নাড্ডা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানান, আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকেই আলোচনার প্রস্তাব আসে এবং সকাল ১১টা ৫০ মিনিট থেকে আলোচনা শুরু হয়। বিকেলে তারা লিখিত দাবিপত্রও জমা দেন। তিনি আন্দোলনকারীদের বিক্ষোভ প্রত্যাহারের আহ্বান জানান।

অন্যদিকে সিজেপি জানিয়েছে, আলোচনাকে তারা ইতিবাচক হিসেবে দেখছে। তবে দাবি পূরণে দৃশ্যমান অগ্রগতি না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবে।

কেন গুরুত্ব পাচ্ছে এই আন্দোলন
বিশ্লেষকদের মতে, এই আন্দোলনের মূল শক্তি হলো শিক্ষার্থী ও তরুণদের অংশগ্রহণ। পরীক্ষা ও নিয়োগব্যবস্থায় স্বচ্ছতা নিয়ে দীর্ঘদিনের অসন্তোষ এবার একটি কেন্দ্রীয় দাবিতে পরিণত হয়েছে। রাজধানীর বাইরে বিভিন্ন রাজ্য থেকেও আন্দোলনকারীদের দিল্লিতে যোগ দেওয়া এই কর্মসূচিকে জাতীয় আলোচনায় নিয়ে এসেছে।

একই সঙ্গে সরকার প্রথমে কর্মসূচির অনুমতি না দিলেও পরে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনায় বসেছে। এতে স্পষ্ট হয়েছে যে পরিস্থিতি রাজনৈতিকভাবেও গুরুত্ব পাচ্ছে।

এরপর কী
সরকার ও আন্দোলনকারীদের মধ্যে প্রাথমিক আলোচনা শুরু হলেও এখনো কোনো সমঝোতা হয়নি। সিজেপি বলছে, তাদের দাবিগুলো বাস্তবায়নের রোডম্যাপ না পাওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি চলবে।

অন্যদিকে সরকারের পক্ষ থেকে আন্দোলন শান্তিপূর্ণভাবে শেষ করার আহ্বান জানানো হয়েছে। ফলে আগামী কয়েক দিন উভয় পক্ষের অবস্থানই নির্ধারণ করবে আন্দোলনটি আলোচনার মাধ্যমে শেষ হবে, নাকি আরও বিস্তৃত রূপ নেবে।

সূত্র: এনডিটিভি

ভিওডি বাংলা/এফএ


মন্তব্য

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
আর্জেন্টিনায় পুলিশ-সমর্থক তুমুল সংঘর্ষ
ফাইনালে হারের পর আর্জেন্টিনায় পুলিশ-সমর্থক তুমুল সংঘর্ষ
ছবি: সংগৃহীত
কাশ্মীর ইস্যু ও শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল নয়াদিল্লি
রাহুল গান্ধী
বিক্ষোভ দমনে পুলিশের ভূমিকার তীব্র সমালোচনা রাহুল গান্ধীর