• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১

স্ত্রীকে নিয়ে মির্জা ফখরুলের আবেগঘন স্ট্যাটাস

   ১০ এপ্রিল ২০২৫, ০৪:৫১ পি.এম.
ফাইল ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক

স্ত্রী রাহাত আরা বেগমের চিকিৎসার জন্য বর্তমানে সিঙ্গাপুরে অবস্থান করছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সেখানে চিকিৎসা চলছে তার স্ত্রীর। বৃহস্পতিবার জীবনসঙ্গীকে নিয়ে ফেসবুকে একটি আবেগঘন স্ট্যাটাস দিয়েছেন মির্জা ফখরুল।

সহধর্মীনির যখন প্রথম রোগ ধরা পড়ে তখনকার মানসিক অবস্থা ও স্ত্রীর অস্ত্রোপচারের সময় কারাগারে থাকার আবেগঘন সেই সময়ের স্মৃতিচারণ করেছেন বিএনপি মহাসচিব। তিনি পোস্টে স্ত্রীর চিকিৎসা নিয়ে সুখবরও দিয়েছেন তিনি। 

মির্জা ফখরুলের ফেসবুক পোস্টটি পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো-

২০২২ সালের ডিসেম্বরে যখন আমার স্ত্রীর রোগ ধরা পড়ে, তখন আমার ওপর পৃথিবী ভেঙে পড়ে। সে আমাদের পরিবারের সবকিছু। আমি যত তাড়াতাড়ি সম্ভব তার অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নিই। তার অস্ত্রোপচারের ঠিক আগের দিন, ভোর ৩টায় আওয়ামী পুলিশ আমাকে আমার বাড়ি থেকে নিয়ে যায়। আমার মেয়ে ছুটে গেল ঢাকায়।

আমার স্ত্রীর অস্ত্রোপচারের সময় আমি কারাগারে ছিলাম। আমার মেয়ে এবং ডা. জাহিদ ছাড়া আর কেউ হাসপাতালে ছিলেন না। আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন এবং আমার ভাইবোনেরা ফোনে খোঁজখবর নিচ্ছিলেন।

আমার স্ত্রী অত্যন্ত ধৈর্য এবং মুখে হাসি নিয়ে সবকিছু সামলেছেন, কেবল তার কঠিন চিকিৎসার বছরগুলোই নয়, প্রায় ৫০ বছর ধরে আমরা পারিবারিকভাবে যে চ্যালেঞ্জগুলোর মুখোমুখি হয়েছি তাও সহ্য করেছেন।

আলহামদুলিল্লাহ, আজ সিঙ্গাপুরে তার ডাক্তার বলেছেন যে এখন পর্যন্ত সবকিছু ঠিকঠাক মনে হচ্ছে। তবে, আমাদের ছয় মাসের মধ্যে আবার এখানে ফিরে আসতে হবে।

আপনার দোয়া এবং শুভকামনার জন্য আমি কৃতজ্ঞ।

উল্লেখ্য, গত ৬ এপ্রিল উন্নত চিকিৎসার জন্য বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্ত্রীকে নিয়ে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেন।

ভিওডি বাংলা/ এমএইচ

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
সংস্কার নিয়ে সরকার প্রতারণা করছে, সনদ বাস্তবায়নে তাদের বাধ্য করতে হবে
জাতীয় নাগরিক পার্টি সংস্কার নিয়ে সরকার প্রতারণা করছে, সনদ বাস্তবায়নে তাদের বাধ্য করতে হবে
সংসদের প্রথম অধিবেশন ব্যর্থ হয়েছে : নাহিদ ইসলাম
সংসদের প্রথম অধিবেশন ব্যর্থ হয়েছে : নাহিদ ইসলাম
মানবাধিকার সার্বজনীন, ভিন্নমত দমনের সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে
মানবাধিকার সার্বজনীন, ভিন্নমত দমনের সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে