• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live

মনববন্ধনে শহীদ পরিবারের সদস্যরা

জুলাই ফাউন্ডেশন পরিচালনা করছে ফ্যাসিস্টের সহযোগীরা

   ১২ মে ২০২৫, ০১:৩২ পি.এম.
ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক

জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের জন্য প্রতিষ্ঠিত জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশন এখন পরিচালিত হচ্ছে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকারের সহযোগীদের মাধ্যমে। এমন অভিযোগ করেছেন জুলাই আন্দোলনে শহীদ পরিবারের সদস্যরা। 

সোমবার (১২ মে) সকালে রাজধানীর শাহবাগে ফাউন্ডেশনের কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধন ও বিক্ষেভ কর্মসূচি চলাকালে তারা এমন মন্তব্য করেন। জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) কামাল আকবর এবং কোষাধ্যক্ষ ওয়াকার আহমেদের অপসারণ দাবিতে এই মানববন্ধন ও বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ নেন শহীদ ও আহতদের পরিবার।

বিক্ষুব্ধরা বলেন, সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত এই দুই কর্মকর্তা শহীদ বা আহত পরিবারের কেউ নন। বরং তারা জুলাই আন্দোলনের সময় স্বৈরাচারী শাসকদের সহযোগী ছিলেন বলে অভিযোগ করেন আন্দোলনকারীরা। 

মানববন্ধনে শহীদ ফাহমিন জাফরের মা কাজী লুলুল মাখমিন বলেন, যাদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে তারা পদ পেয়েছেন, আজ তারাই আমাদের অবমূল্যায়ন করছেন। তিনি দাবি জানান, ফাউন্ডেশনের সকল গুরুত্বপূর্ণ পদে যেন শহীদ পরিবার থেকেই নিয়োগ দেওয়া হয়।

শহীদ জাবির ইব্রাহিমের বাবা কবির হোসেন বলেন, আমরা চাই যোগ্য ও প্রাপ্য মানুষরা—শহীদ ও আহতদের পরিবার—এই ফাউন্ডেশনে দায়িত্ব পাক।

কয়েকদিন আগে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এক সভা শেষে ফাউন্ডেশনের কোষাধ্যক্ষ ওয়াকার আহমেদ শহীদ ইয়ামিনের বাবা এবং আহতদের পাগল বলে অভিহিত করেন বলে অভিযোগ করা হয়। এ সময় তারা বলেন, শহীদ পরিবারকে মাসিক ২০ হাজার টাকা ভাতা দেওয়ার কথা থাকলেও তা দেওয়া হচ্ছে না।

তারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে কোনো সাধারণ সভা ছাড়াই একতরফাভাবে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে কর্তৃপক্ষ। শহীদ পরিবারের সদস্যরা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, দাবি না মানলে আন্দোলন আরও তীব্র হবে।

ভিওডি বাংলা/ডিআর


  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
গাড়িতে বিআরটিএ নির্ধারিত নিবন্ধন নম্বর প্লেট না পেলে কঠোর ব্যবস্থা
ডিএমপির গণবিজ্ঞপ্তি গাড়িতে বিআরটিএ নির্ধারিত নিবন্ধন নম্বর প্লেট না পেলে কঠোর ব্যবস্থা
অটোরিকশার চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে তরুণী নিহত
অটোরিকশার চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে তরুণী নিহত
বালিশ, লেপ, তোশক, কাঁথা- কী নেই কুতুবখালী খালে?
ডিএসসিসি অভিযান বালিশ, লেপ, তোশক, কাঁথা- কী নেই কুতুবখালী খালে?