• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
logo
শিরোনাম
গ্যাস সংকট আরও কয়েকদিন, ভোগান্তিতে সব শ্রেণির গ্রাহক পরীক্ষা পদ্ধতি ঢেলে সাজাতে 'উচ্চপর্যায়ের টাস্কফোর্স' গঠনের ঘোষণা মোদির রাষ্ট্রপতি পদে আলোচনায় বিএনপির পাঁচ শীর্ষ নেতা ভারত সিরিজ ঘিরে আশাবাদী মিরাজ, সম্পর্ক স্বাভাবিকে তৎপর বিসিবি অবৈধ সম্পদের অভিযোগ, সাবেক জেল সুপার ও স্ত্রীকে ঘিরে দুদকের অনুসন্ধান স্বৈরাচারের পুনরুত্থানের কোনো সুযোগ নেই: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শারমিনের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সারিয়াকান্দিতে দ্বিতীয় যমুনা সেতুর দাবিতে মানববন্ধন দলীয় ব্যক্তির নিয়োগ নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য হুমকি: জামায়াত গাড়ি কেনার নেশায় প্রথম সিনেমায় ‘হ্যাঁ’ বলেছিলেন রাকুল প্রীত সিং

আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের ৮৭তম জন্মদিন আজ

  নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ:  ২৫ জুলাই ২০২৬, ১০:৪১ এ.এম.
শেয়ার করুন 0
শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক ও বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ। ছবি: সংগৃহীত
শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক ও বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ। ছবি: সংগৃহীত

প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক ও বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের ৮৭তম জন্মদিন শনিবার (২৫ জুলাই)। দীর্ঘ চার দশকেরও বেশি সময় ধরে বইপড়া আন্দোলন ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন প্রজন্ম গড়ে তোলার লক্ষ্যে নিরলস কাজ করে চলেছেন তিনি। ‘আলোকিত মানুষ চাই’-এই দর্শনকে সামনে রেখে তার প্রতিষ্ঠিত বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র বাংলাদেশের শিক্ষা ও সংস্কৃতির অঙ্গনে এক অনন্য প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

১৯৩৯ সালের ২৫ জুলাই ভারতের কলকাতার পার্ক সার্কাসে জন্মগ্রহণ করেন আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ। তার পৈতৃক নিবাস বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার কামারগাতি গ্রামে। বাবা আযীমউদ্দিন আহমদ ছিলেন শিক্ষক, যার প্রভাব ছোটবেলা থেকেই তার শিক্ষা ও মনন গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

শিক্ষাজীবনে তিনি ১৯৫৫ সালে পাবনা জিলা স্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং ১৯৫৭ সালে বাগেরহাটের প্রফুল্ল চন্দ্র কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে ভর্তি হয়ে ১৯৬০ সালে স্নাতক ও ১৯৬১ সালে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।

একই বছর মুন্সীগঞ্জের হরগঙ্গা কলেজে খণ্ডকালীন প্রভাষক হিসেবে শিক্ষকতা শুরু করেন তিনি। পরবর্তী সময়ে সিলেট মহিলা কলেজ, রাজশাহী কলেজ, সরকারি বিজ্ঞান কলেজ ও ঢাকা কলেজে শিক্ষকতা করেন। শিক্ষার্থীদের মধ্যে জ্ঞানচর্চা ও সাহিত্যপ্রেম জাগিয়ে তুলতে শিক্ষকতা জীবনের শুরু থেকেই তিনি বিশেষ ভূমিকা রাখেন।

১৯৭৮ সালে প্রতিষ্ঠা করেন বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র, যা পরবর্তীতে দেশের অন্যতম বৃহৎ পাঠাভ্যাসভিত্তিক সাংস্কৃতিক সংগঠনে পরিণত হয়। বইপড়া কর্মসূচির মাধ্যমে লাখো শিক্ষার্থীর হাতে বই তুলে দেওয়ার উদ্যোগ তাকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে। পাঠাগারের সীমাবদ্ধতা দূর করতে ১৯৯৮ সালে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের উদ্যোগে চালু করেন ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি কার্যক্রম, যা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বই পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে।

বাংলাদেশে টেলিভিশনের সূচনালগ্ন থেকে বিনোদন ও শিক্ষামূলক অনুষ্ঠানের উপস্থাপনায় তিনি পথিকৃৎ ও অন্যতম সফল ব্যক্তিত্ব। কবিতা, প্রবন্ধ, ছোটগল্প, নাটক, অনুবাদ, জার্নাল, জীবনীমূলক বই ইত্যাদি মিলিয়ে তার গ্রন্থভাণ্ডার যথেষ্ট সমৃদ্ধ। ডেঙ্গু প্রতিরোধ আন্দোলন, পরিবেশ দূষণবিরোধী আন্দোলনসহ নানা সামাজিক আন্দোলনে তিনি সব সময় সামনের কাতারে। কর্মময় জীবনের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি একুশে পদক, র্যামন ম্যাগসাসে, জাতীয় টেলিভিশনসহ নানা সম্মাননা পেয়েছেন।

সামাজিক দায়িত্ববোধ থেকেও তিনি সবসময় সক্রিয় ছিলেন। পরিবেশ সংরক্ষণ, জনসচেতনতা এবং বিভিন্ন সামাজিক আন্দোলনে তার সম্পৃক্ততা তাকে একজন দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে আলাদা মর্যাদা দিয়েছে।

ভিওডি বাংলা/জা

 

 


মন্তব্য

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
ছবি : সংগৃহীত
গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক পদে ফিরলেন কথাসাহিত্যিক আফসানা বেগম
ছবি : ভিওডি বাংলা
যশোরে শিল্পকলা একাডেমি ও পাবলিক লাইব্রেরি পরিদর্শন করলেন সংস্কৃতি মন্ত্রী
ছবি: ভিওডি বাংলা
দেশব্যাপী রবীন্দ্র জন্মজয়ন্তী উদযাপন শুরু