{# Dark-theme overrides for the above-the-fold critical surfaces. Inlined so dark users don't flash a light background while the async dark.css is still loading. #}
  • ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live
টপ নিউজ
ফাইনালের ১ দিন আগে দুধ দিয়ে গোসল করে আর্জেনটিনায় যোগ দিলেন দুই ব্রাজিল সমর্থক গণভোট ব্যর্থ হলে সরকারও ব্যর্থ হয়ে যাবে: শফিকুর রহমান মালয়েশিয়ায় ৬ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার, ৩১ পাসপোর্ট জব্দ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের পুরোনো ফর্মুলা চলবে না: আখতার হোসেন ঠাকুরগাঁও-পঞ্চগড়ের বিএনপি নেতাদের সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক জাতীয় এআই নীতি প্রণয়ন করছে বাংলাদেশ: আইসিটি মন্ত্রী বার্ন ইনস্টিটিউটে দীপুর দাপট, নেপথ্যে পরিচালক নাসির উদ্দীন ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে গত দুইদিনে ডিএমপির ৩৫১২ মামলা বন্যার্ত কৃষকদের বীজ বিতরণে অনিয়ম সহ্য করা হবে না: কৃষিমন্ত্রী মেধার সঙ্গে দেশপ্রেমের সমন্বয় ঘটাতে হবে: ডিএসসিসি প্রশাসক

বন্যার্ত কৃষকদের বীজ বিতরণে অনিয়ম সহ্য করা হবে না: কৃষিমন্ত্রী

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি    ১৮ জুলাই ২০২৬, ০৮:৪০ পি.এম.
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, বন্যাকবলিত চট্টগ্রাম অঞ্চলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অনেক বেশি। সরকারের পক্ষে একবারে সব ক্ষতি পূরণ করা সম্ভব না হলেও কৃষকদের দ্রুত ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য বীজ, সার, গবাদিপশুর ভ্যাকসিন ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। বীজ ও ভ্যাকসিন বিতরণে কোনো ধরনের অনিয়ম বা দুর্নীতি সহ্য করা হবে না। এ বিষয়ে সরকারের অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স’।

মন্ত্রী শনিবার (১৮ জুলাই) চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন। 

মন্ত্রী বলেন, প্রত্যেক মানুষের জীবনেই দুঃসময় আসে। সেই সময়ে সরকার ও সমাজ যদি ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ায়, তবে তারা নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোর শক্তি পায়। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ও খামারিদের পুনর্বাসনে সরকার সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করছে। 

মন্ত্রী কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের কাছে যেন কোনো ধরনের অতিরিক্ত মূল্য নেওয়া না হয় এবং সরকারি সহায়তা যেন প্রকৃত উপকারভোগীদের হাতে পৌঁছে- তা  নিশ্চিত করতে হবে। অতীতের মতো কোনো অনিয়ম বরদাশত করা হবে না।

গবাদিপশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে বন্যাকবলিত এলাকায় শতভাগ গবাদিপশুকে এফএমডি (ক্ষুরা রোগ) প্রতিরোধী ভ্যাকসিনের আওতায় আনা হবে। ছয় মাস আগে যেসব পশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে, নির্ধারিত সময় অনুযায়ী তাদেরও পুনরায় টিকা নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি বলেন, একটি গবাদিপশু মারা গেলে একজন খামারির যে আর্থিক ও মানসিক ক্ষতি হয়, তা অনুধাবন করেই সরকার দ্রুত ভ্যাকসিন কার্যক্রম জোরদার করছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, সরকারের সব সহায়তা যেন প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কাছে পৌঁছে এবং কেউ যেন বঞ্চিত না হন, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সর্বোচ্চ দায়িত্বশীলতা নিয়ে কাজ করতে হবে। কোথাও কোনো অনিয়ম বা অবহেলার অভিযোগ পাওয়া গেলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি সতর্ক করেন।

এ সময় কৃষি মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব  মো: খোরশেদ আলম, চট্টগ্রাম বিভাগীয় মৎস্য অধিদপ্তরের পরিচালক মো: আনোয়ার হোসেন, চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দপ্তরের পরিচালক ডা. মো: আতিয়ার  রহমান, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা সালমা বেগম, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা.মো: আলমগীর, চট্টগ্রাম অঞ্চলের  উপ-পরিচালক আপ্রু মারমা, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ মাহবুবুল হক- সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

ভিওডি বাংলা/আর


মন্তব্য

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের চামেলী হলে অনুষ্ঠিত বৈঠক
প্রবাসী কার্ডে ১০ সুবিধা, কার্যক্রম শুরু আগস্টে
আতিকুর রহমান রুমন
আতিকুর রহমান রুমন ‘বিএনপি সরকার সংবাদপত্রের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে’
ছবি: সংগৃহীত
হামের উপসর্গে ৪ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ৭৭৩