• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live
টপ নিউজ
জুয়া প্রতিরোধসহ চারটি গুরুত্বপূর্ণ আইনের খসড়া অনুমোদন পরিবেশ রক্ষায় সম্মিলিত উদ্যোগ ছাড়া টেকসই নগরী সম্ভব নয় বিডার ভরসা দেশি বিনিয়োগে ঋণখেলাপি ইস্যুতে উত্তপ্ত সংসদ, তুমুল বিতর্ক চোখের চিকিৎসা সহজলভ্য করতে অপটোমেট্রি পেশার স্বীকৃতি প্রয়োজন: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বিমানবাহিনী কর্মকর্তার স্ত্রী হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার সদরঘাটে নৌ পুলিশের অভিযানে অস্ত্রসহ দুই ডাকাত গ্রেপ্তার মাদক প্রতিরোধে এলাকাভিত্তিক কমিটি গঠনের আহ্বান ডিএসসিসি প্রশাসকের সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের ১২ হাজার কোটি টাকা বনদস্যুতা নির্মূলে বিশেষ অভিযান চালানো হচ্ছে: কোস্ট গার্ড ডিজি

তারেক রহমানকে হতে হবে জনগণের ঐক্যের প্রতীক: জিল্লুর রহমান

   ৭ জুলাই ২০২৫, ১০:৪৯ এ.এম.
তারেক রহমান ও সাংবাদিক জিল্লুর রহমান। ছবি : সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয় ঐকমত্য প্রতিষ্ঠা ছাড়া নির্বাচনের সময় নির্ধারণ করে কোনো লাভ নেই বলে মন্তব্য করেছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সাংবাদিক জিল্লুর রহমান। তিনি বলেছেন, বিএনপি ও অন্তর্বর্তী সরকারের মধ্যে লন্ডনে যে সম্ভাব্য সমঝোতা হয়েছে, তা আপাত দৃষ্টিতে ইতিবাচক মনে হলেও বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। কারণ, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে এখনো সংস্কার প্রশ্নে ঐকমত্য অনুপস্থিত।

সম্প্রতি নিজের ইউটিউব চ্যানেলে দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করতে গিয়ে এসব কথা বলেন জিল্লুর রহমান। তিনি বলেন, জাতীয় ঐকমত্য ছাড়া নির্বাচনের সময় নির্ধারণ করার অর্থ জনগণকে বিভ্রান্ত করা। ক্ষমতায় যাওয়ার লোভ, নতুন রাজনৈতিক দলের আত্মপ্রকাশ এবং ছোট দলের ‘কিংমেকার’ হওয়ার বাসনা—সব মিলিয়ে রাজনৈতিক অস্থিরতা এখন চরমে।

তার ভাষ্য মতে, বিএনপির সামনে এখন একটাই পথ খোলা—স্বাধীনতা, গণতন্ত্র এবং সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে আপসহীন থাকা। জিয়াউর রহমানের উত্তরসূরি হিসেবে তারেক রহমান যদি নেতৃত্বে আসেন, তবে তাকে হতে হবে জনগণের ঐক্যের প্রতীক, রাজনৈতিক শুদ্ধতার প্রতিশ্রুতি এবং নতুন দিশার পথপ্রদর্শক।

তিনি সতর্ক করেন, স্বাধীনতার ঘোষকের প্রতিপক্ষদের কাছে এই নেতৃত্ব কখনোই গ্রহণযোগ্য হবে না। তাই নতুন ভোটব্যবস্থা, অনুপ্রবেশমূলক রাজনৈতিক কৌশল এবং তথাকথিত জাতীয় ঐক্যের আড়ালে দমননীতি দিয়ে তাকে ঘায়েল করার চেষ্টা চলছে।

জিল্লুর রহমান বলেন, আজকের বিপ্লবীরা বিভক্ত। কেউ দলীয় লেজুরবৃত্তির শিকার, কেউবা ধান্দাবাজির প্রতিবাদ করে নিজেই ছিটকে পড়েছেন। উমামা ফাতেমার মতো প্রতিবাদী কণ্ঠস্বরই প্রমাণ করছে— যে প্ল্যাটফর্ম থেকে গণআন্দোলনের সূচনা হয়েছিল, সেটি এখন বিকৃত রাজনৈতিক স্বার্থের আঁধারে পরিণত হয়েছে।

তিনি উল্লেখ করেন, অনেক ছাত্রনেতা আজ অভিযোগ করছেন— তাদের প্রতিশ্রুত ভবিষ্যৎ আর নেই। সেটি পরিণত হয়েছে অন্যদের রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের সিঁড়িতে। গণআন্দোলনের সেই প্রজন্ম এখন হতাশ, দ্বিধান্বিত।

এই রাজনৈতিক বিশ্লেষক বলেন, বিপ্লবের বর্ষপূর্তি আমরা পালন করছি যেন রাষ্ট্রীয় উৎসবের মতো। ব্যানার-ফেস্টুনে শহীদদের মুখ ছাপা হচ্ছে, স্মৃতিচারণ চলছে, কিন্তু শহীদ পরিবারের কোনো সুনির্দিষ্ট সহায়তা নেই। গুম-খুনের বিচার হয়নি, চেতনার ধারক ছাত্ররাও আজ দ্বিধাগ্রস্ত।

তিনি প্রশ্ন তোলেন, আমরা কি এমন বিপ্লব চেয়েছিলাম? যে বিপ্লব শেষে মোহ ও স্বার্থের মধ্যে হারিয়ে যাবে? যেখানে নেতৃত্ব আকাশে উড়বে, আর সাধারণ মানুষ শোক ও জুতা নিয়ে মাটিতে পড়ে থাকবে?

তবে তিনি বলেন,  এখনো আশার আলো নিভে যায়নি। কারণ, বাংলাদেশের মানুষ ভুলে যায় না। তারা আবারো জেগে উঠতে জানে। শহীদদের রক্ত বৃথা যেতে পারে না।

ভিওডি বাংলা/ডিআর

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
ছেলের সামনে থেকে মাকে তুলে নিয়ে যাওয়ার ভিডিওটি বানানো
ছেলের সামনে থেকে মাকে তুলে নিয়ে যাওয়ার ভিডিওটি বানানো
সরকারের কাছে যা জানতে চাইলেন পাটওয়ারী
সরকারের কাছে যা জানতে চাইলেন পাটওয়ারী
‘এই বাসাটা আজ ক্লান্ত’—পৈতৃক বাড়ি নিয়ে আবেগঘন আসিফ
‘এই বাসাটা আজ ক্লান্ত’—পৈতৃক বাড়ি নিয়ে আবেগঘন আসিফ