• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১

আ’লীগের সাবেক এমপি এ্যাডভোকেট পিযুষ কান্তির মৃত্যু

যশোর প্রতিনিধি    ৬ নভেম্বর ২০২৫, ০৪:০৪ পি.এম.
এ্যাডভোকেট পিযুষ কান্তি ভট্টাচার্য্য-ছবি-ভিওডি বাংলা

যশোরের সাবেক সংসদ সদস্য আওয়ামীলীগের সভাপতিমণ্ডলীর অন্যতম সদস্য, এ্যাডভোকেট পিযুষ কান্তি ভট্টাচার্য্যরে (৮০) মৃত্যুবরণ করেছেন। আজ বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) ভোর সাড়ে পাঁচটায় যশোর শহরস্থ বেজপাড়ার ভাড়া বাড়িতে তার মৃত্যু হয়।

তিনি দীর্ঘদিন যাবত বিভিন্ন জটিল রোগে ভুগছিলেন।

পীযূষ কান্তি ভট্টাচার্য্য ১৯৪০ সালের ১ মার্চ যশোর জেলার মণিরামপুর থানার পাড়ালা গ্রামে পিতা সুধীর কুমার ভট্টাচার্য্য ও মাতা ঊষা রানী ভট্টাচার্য্যরে ঘরে জন্মগ্রহণ করেন।

তিনি ১৯৫৬ খাজুরা এম. এন মিত্র স্কুলে থেকে এস এস সি, ১৯৫৭-৬০ সালের মধ্যে যশোর এমএম কলেজ থেকে আই এ ও বি এ পাস করেন সময় তিনি কলেজ ছাত্র সংসদের নেতা নির্বাচিত হন। ১৯৬৮ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে থেকে অর্থনীতিতে তিনি এম.এ পাস করেন। 

পারিবারিক কারণেই বি.এ পাস করে ১৯৬১ সালে মশিয়াহাটী স্কুলে যোগদান করে ৬৮ সাল পর্যন্ত সেখানে শিক্ষাদান করেন। ৬৮ সালে এম.এ পাস করে মণিরামপুর কলেজে যোগ দেন। ৭০ সালে ঐ কলেজেরই উপাধ্যক্ষ হিসাবে পদোন্নতি লাভ করে ৭৫ সাল পর্যন্ত ছিলেন সেখানে।

চাকুরিকালীন তিনি ১৯৭৩ সালে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৬৬ সালে তার রাজনৈতিক জীবন শুরু। এ সময় তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে আওয়ামী লীগে যোগদান করেন। 

১৯৭৩ সালের যশোরের মনিরামপুর-কেশবপুর থেকে নির্বাচনে অংশ নিয়ে ভোটে জয়লাভ করেন। ১৯৮৬ সালের নির্বাচনে তিনি মণিরামপুর অঞ্চলে মনোনয়ন পেলেও  পরাজয় বরণ করেন।

স্বাধীনতার পর থেকে সর্বশেষ ঘোষিত যশোর জেলা আওয়ামী লীগের কমিটির তিনি সহ-সভাপতি ছিলেন। এছাড়া ২০১৬ সালে তিনি কেন্দ্যীয় সভাপতিমণ্ডলির সদস্য নির্বাচিত হন। যশোর শহরের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের সাথে ছিলেন যুক্ত। উদীচী, সুরধুনী, পুনশ্চ, যশোরের উপদেষ্টা ছিলেন।

ভিওডি বাংলা/জুবায়ের হোসেন/জা

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
সংস্কার নিয়ে সরকার প্রতারণা করছে, সনদ বাস্তবায়নে তাদের বাধ্য করতে হবে
জাতীয় নাগরিক পার্টি সংস্কার নিয়ে সরকার প্রতারণা করছে, সনদ বাস্তবায়নে তাদের বাধ্য করতে হবে
সংসদের প্রথম অধিবেশন ব্যর্থ হয়েছে : নাহিদ ইসলাম
সংসদের প্রথম অধিবেশন ব্যর্থ হয়েছে : নাহিদ ইসলাম
মানবাধিকার সার্বজনীন, ভিন্নমত দমনের সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে
মানবাধিকার সার্বজনীন, ভিন্নমত দমনের সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে