• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live
টপ নিউজ
জুয়া প্রতিরোধসহ চারটি গুরুত্বপূর্ণ আইনের খসড়া অনুমোদন পরিবেশ রক্ষায় সম্মিলিত উদ্যোগ ছাড়া টেকসই নগরী সম্ভব নয় বিডার ভরসা দেশি বিনিয়োগে ঋণখেলাপি ইস্যুতে উত্তপ্ত সংসদ, তুমুল বিতর্ক চোখের চিকিৎসা সহজলভ্য করতে অপটোমেট্রি পেশার স্বীকৃতি প্রয়োজন: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বিমানবাহিনী কর্মকর্তার স্ত্রী হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার সদরঘাটে নৌ পুলিশের অভিযানে অস্ত্রসহ দুই ডাকাত গ্রেপ্তার মাদক প্রতিরোধে এলাকাভিত্তিক কমিটি গঠনের আহ্বান ডিএসসিসি প্রশাসকের সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের ১২ হাজার কোটি টাকা বনদস্যুতা নির্মূলে বিশেষ অভিযান চালানো হচ্ছে: কোস্ট গার্ড ডিজি

অভিবাসী গ্রহণ থেকে অব্যাহতি চাইতে পারে জার্মানি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক    ১৩ নভেম্বর ২০২৫, ০৩:১৬ পি.এম.
ছবি: সংগৃহীত

ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নতুন আশ্রয়নীতি অনুযায়ী সদস্য দেশগুলোর মধ্যে আশ্রয়প্রার্থী ও অভিবাসীদের ন্যায্যভাবে বণ্টনের কথা রয়েছে। অর্থাৎ প্রতিটি দেশকে নির্দিষ্টসংখ্যক আশ্রয়প্রার্থী গ্রহণ করতে হবে, না হলে তাদের নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ প্রদান করতে হবে।

তবে অন্তত আগামী বছর পর্যন্ত আশ্রয়প্রার্থী গ্রহণের এই বাধ্যবাধকতা থেকে অব্যাহতি চাইতে পারে জার্মানি। জার্মান বার্তাসংস্থা ডিপিএ জানিয়েছে, ইইউর এক অভ্যন্তরীণ বিশ্লেষণে এমন ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

নথিতে বলা হয়েছে, জার্মানি ইতোমধ্যেই বিপুলসংখ্যক আশ্রয়প্রার্থীকে আশ্রয় দিয়েছে। গত সেপ্টেম্বরে দেশটির পার্লামেন্টে জানানো হয়, ২০২৫ সালের প্রথম ছয় মাসে শরণার্থীর সংখ্যা অন্তত ৫০ হাজার কমেছে। ২০২৪ সালের শেষে যেখানে শরণার্থীর সংখ্যা ছিল ৩৫ লাখ ৫০ হাজার, বর্তমানে তা কমে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩৫ লাখে।

এই সংখ্যার মধ্যে নতুন আগত আশ্রয়প্রার্থী ছাড়াও দীর্ঘদিন ধরে জার্মানিতে বসবাসরত শরণার্থী এবং ইউক্রেন থেকে আগত নাগরিকরাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।

ডিপিএ’র হাতে থাকা নথিটি ইইউর অভিবাসন কমিশনার মাগনুস ব্রুনার–এর তথাকথিত ‘সংহতি পুল’ সম্পর্কিত বিশ্লেষণ। এতে বলা হয়েছে, জার্মানি যুক্তি দেখাতে পারে যে তারা ইতোমধ্যেই বিপুলসংখ্যক শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়েছে-যাদের দায়িত্ব অন্য সদস্য রাষ্ট্রগুলোরও নেওয়া উচিত ছিল।

ইইউর আশ্রয় সংস্কারের অংশ হিসেবে গঠিত এই সংহতি পুলের উদ্দেশ্য হলো সম্মুখসারির দেশগুলোর ওপর অভিবাসন চাপ কমানো।

অন্যদিকে ২০২৬ সালের মাঝামাঝি থেকে ইইউর নতুন অভিবাসন ও আশ্রয় চুক্তি কার্যকর হলে অভিবাসন চাপে থাকা ভূমধ্যসাগরীয় দেশগুলো-গ্রিস, সাইপ্রাস, স্পেন ও ইতালি-বিশেষ সহায়তা পাবে। ইউরোপীয় কমিশন এই চার দেশকে সংহতি ব্যবস্থার প্রধান দাবিদার হিসেবে চিহ্নিত করেছে।

ভবিষ্যতে বিপুলসংখ্যক অভিবাসী আগমনের সম্ভাবনা থাকায় জার্মানি, বেলজিয়াম, ফ্রান্স ও নেদারল্যান্ডসও চাপে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এই বিশ্লেষণকে ইইউর নতুন আশ্রয়নীতি বাস্তবায়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে, যার লক্ষ্য সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে দায়িত্ব বণ্টনকে আরও ন্যায্য ও ভারসাম্যপূর্ণ করা। এখন এসব বিষয় বিবেচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে ইইউ সদস্য রাষ্ট্রগুলো।

সূত্র: ইনফোমাইগ্রেন্টস

ভিওডি বাংলা/জা

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
বিশ্ববাজারে কমেছে জ্বালানি তেলের দাম
বিশ্ববাজারে কমেছে জ্বালানি তেলের দাম
অবশেষে যুদ্ধ বন্ধের সমঝোতা স্মারকে সই করল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান
অবশেষে যুদ্ধ বন্ধের সমঝোতা স্মারকে সই করল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান
ভারতের জন্য আকাশপথ বন্ধই থাকছে, নতুন নির্দেশনা জারি পাকিস্তানের
ভারতের জন্য আকাশপথ বন্ধই থাকছে, নতুন নির্দেশনা জারি পাকিস্তানের