• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১

পাবনার ভাঙ্গুড়ায়

প্রকাশিত সংবাদ এর প্রতিবাদে স্কুল শিক্ষিকার সংবাদ সন্মেলন

ভাঙ্গুড়া (পাবনা) প্রতিনিধি    ৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:৩৫ পি.এম.
ছবি: ভিওডি বাংলা

পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার জরিনা রহিম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এর কম্পিউটার শিক্ষিকা হাসিনা হোসেন এর নামে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করার প্রতিবাদে সংবাদ সন্মেলন করেন।

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) বিকাল ৫ ঘটিকায় ভাঙ্গুড়া প্রেসক্লাব এর অস্থায়ী হল রুমে এ সংবাদ সন্মেলন এর আয়োজন করেন।  সংবাদ সন্মেলন শিক্ষিকা হাসিনা হোসেন লিখিত বক্তব্যে অভিযোগ করে বলেন গত ৩১ ডিসেম্বর-২০২৫  তারিখে কম্পিউটার ব্যবহার করতে জানেন না বিদ্যালয়ের কম্পিউটার শিক্ষক এই শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়।

যা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও আমার ব্যক্তিগত এবং পেশাগত সম্মান ক্ষুণ্ন করার সুস্পষ্ট অপচেষ্টা। উক্ত সংবাদে আমার নিয়োগ, রাজনৈতিক পরিচয়, কর্মজীবন ও শিক্ষাগত যোগ্যতা সম্পর্কে যেসব তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ অসত্য এবং বাস্তবতা বিবর্জিত।

আমি ২০০২ সালে যথাযথ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে উক্ত বিদ্যালয়ে যোগদান করি। সে সময় দেশে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় ছিল এবং সংখ্যালঘুদের রাজনীতি করার কথা বলা হতো সম্পূর্ণ বানোয়াট ও ইতিহাস বিরোধী। আমার স্বামী কিংবা আত্মীয়-স্বজন তখন কোন জনপ্রতিনিধি ছিলেন না—এই তথ্য সহজেই যাচাই যোগ্য।

সংবাদে আমাকে নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিত না থাকা, ক্লাস না নেওয়া ও কম্পিউটার বিষয়ে দক্ষ না হওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে। অথচ বিদ্যালয়ের হাজিরা খাতা, সিপিইউ রেকর্ড, প্রধান শিক্ষক ও সহকর্মীদের বক্তব্যেই এসব অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হয়।

দীর্ঘ শিক্ষকতা জীবনে আমার বিরুদ্ধে আজ পর্যন্ত কোন শিক্ষার্থী বা অভিভাবক কোনো অভিযোগ করেনি—এটাই আমার কাজের সবচেয়ে বড় প্রমাণ।

আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, ব্যক্তিগত আক্রোশ ও পূর্ব শত্রুতার জেরে এবং উনি ২০১২ এবং ২০১৪ সালে সহকারী শিক্ষক হিসেবে আবেদন করে অকৃতকার্য হয়। তখন সাবেক এমপি ও তার ছেলে উপজেলা চেয়ারম্যান এর মাধ্যমে রাজনৈতিক প্রভাব খাঁটিয়ে শিক্ষক হিসেবে যোগদান করতে না পেরে  পরিকল্পিতভাবে স্কুলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন এবং আমাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতেই এ ধরনের মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে, যা দণ্ডবিধির ৪৯৯ ও ৫০০ ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

আমি একজন শিক্ষক, সমাজ গঠনের কারিগর। একজন শিক্ষককে সম্মান না করার অর্থ পুরো শিক্ষা ব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করা। তাই আমি সংশ্লিষ্ট সাংবাদিক ও প্রকাশিত মিথ্যা সংবাদের বিরুদ্ধে যথাযথ প্রত্যাহার, প্রকাশ্যে ক্ষমা প্রার্থনা এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের অপসাংবাদিকতা বন্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

প্রয়োজনে আমি আইনের আশ্রয় নিতে বাধ্য হব—এ কথা সবাইকে জানিয়ে রাখছি।
আপনাদের সবার সহযোগিতা ও ন্যায়বিচারের প্রত্যাশায় রইলাম। উক্ত সংবাদ সন্মেলনে জরিনা রহিম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শওকত আলী, তিনি বলেন আমাদের স্কুলের কম্পিউটার শিক্ষক ২০০২ সালে যোগদানের পর স্বনামের সাথে শিক্ষাদান করে আসছে এবং সমস্ত প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। তিনি একজন দায়িত্বশীল শিক্ষিকা।

এসময় উপস্থিত ছিলেন সহকারি শিক্ষক লায়লা আলফাতুন নাহার,  সখিনা খতুন, শাহিন ইসলাম, আনজুুমান আরা, জাহাঙ্গীর আলম, ইকরাম হোসেন,আবুল কালাম আজাদ, নওসাদ ইসলাম, কে এম তারিকুজ্জামানসহ বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষক, শিক্ষিকা,পাবনা জেলা এবং ভাঙ্গুড়া  উপজেলার বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় কর্মরত গণমাধ্যম কর্মীবৃন্দ।

ভিওডি বাংলা/ গিয়াস উদ্দিন সরদার/ আ

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
‎সারিয়াকান্দিতে পূর্ব শত্রুতার জেরে শিক্ষার্থীকে কোপানোর অভিযোগ
‎সারিয়াকান্দিতে পূর্ব শত্রুতার জেরে শিক্ষার্থীকে কোপানোর অভিযোগ
আফগানিস্তানে চাঁদ উঠেছে তাই চাঁদপুরে ৭ মুসল্লির ঈদ উদ্‌যাপন
আফগানিস্তানে চাঁদ উঠেছে তাই চাঁদপুরে ৭ মুসল্লির ঈদ উদ্‌যাপন
ভাঙ্গুড়ায় শিলাবৃষ্টিতে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি
ভাঙ্গুড়ায় শিলাবৃষ্টিতে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি