• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১

২০০৭ থেকে ২০২৪: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের যত সেরা খেলোয়াড়

স্পোর্টস ডেস্ক    ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০২:৪৮ পি.এম.
ছবি: সংগৃহীত

২০০৭ সালে আইসিসি পুরুষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম আসর শুরু হওয়ার পর থেকে এই টুর্নামেন্টে এমন কিছু ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স দেখা গেছে, যেগুলো প্রায় সময় দলকে ট্রফির কাছাকাছি নিয়ে গেছে। যদিও টার্গেট সবসময়ই ট্রফি জেতা, ‘প্লেয়ার অফ দ্য টুর্নামেন্ট’ পুরস্কারটি দেওয়া হয় সেই খেলোয়াড়কে, যিনি ধারাবাহিকতা, ম্যাচ জেতানোর প্রভাব ও চাপের মুখে অসাধারণ পারফরম্যান্সের মাধ্যমে পুরো আসরে আধিপত্য দেখান।

২০২৬ সালে ভারত ও শ্রীলঙ্কার যৌথ আয়োজনে দশম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আসছে। এই বিশ্বমঞ্চে নিজেকে আলাদা করে প্রতিষ্ঠিত করতে কী ধরনের গুণ দরকার এটা বোঝা যায় পুরনো বিজয়ীদের নজরে গেলে।

২০২৬ সালের আসরে মোট ২০টি দল অংশ নেবে এবং ৫৫টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। ভেন্যুগুলো ভারতের পাঁচটি স্টেডিয়াম ও শ্রীলঙ্কার তিনটি স্টেডিয়ামে হবে। গ্রুপ পর্বে চারটি গ্রুপ থাকবে, যেখানে প্রতিটি গ্রুপের শীর্ষ দুই দল ‘সুপার ৮’-এ উঠবে। এরপর সেমিফাইনাল ও ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে। ফলে একাধিক ম্যাচ জুড়ে ব্যক্তিগত শ্রেষ্ঠত্ব আবারও বিভিন্ন দলের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে থাকবে। বছরের পর বছর ধরে ‘প্লেয়ার অফ দ্য টুর্নামেন্ট’ সম্মানটি বিশ্ব ক্রিকেটের কয়েকজন বড় তারকা জিতেছেন:

২০০৭ সালে আফ্রিদি তার বিস্ফোরক অলরাউন্ড নৈপুণ্যে প্রথম আসরে নজর কাড়েন। ২০০৯ সালে ওপেনার তিলকারত্নে দিলশান আক্রমণাত্মক ব্যাটিংকে নতুন মাত্রা দেন। কেভিন পিটারসেন ও শেন ওয়াটসন দেখিয়েছেন কীভাবে বহুমুখিতা ও মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা বিভিন্ন পরিস্থিতিতে সফল হতে সাহায্য করে। ২০১৪ ও ২০১৬ সালে বিরাট কোহলি টানা দুইবার এই পুরস্কার জিতে চাপের মুহূর্তে তার ধারাবাহিকতা প্রমাণ করেন।

সাম্প্রতিক আসরগুলোতে এই ধারায় কিছু পরিবর্তন এসেছে। ২০২১ সালে ডেভিড ওয়ার্নারের বীরত্বপূর্ণ পারফরম্যান্স অস্ট্রেলিয়ার প্রথম শিরোপা নিশ্চিত করে। ২০২২ সালে স্যাম কারানের সুইং ও ডেথ বোলিং ট্রফির রঙ ঠিক করে দেয়। আর ২০২৪ সালে জসপ্রিত বুমরাহর নিখুঁত বোলিং টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে অভিজাত ফাস্ট বোলারের প্রভাবকে সামনে আনে।

২০২৬ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আবারও উপমহাদেশে ফিরছে যেখানে ইডেন গার্ডেন্স, ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়াম ও নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে বড় ম্যাচগুলো হবে। পরবর্তী ‘প্লেয়ার অফ দ্য টুর্নামেন্ট’ হওয়ার লড়াই আগের মতোই তীব্র হবে। ইতিহাস বলছে, মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা, আত্মসংযম ও টেকসই শ্রেষ্ঠত্বই আবারও সাধারণের থেকে সেরাদের আলাদা করবে।

প্লেয়ার অফ দ্য টুর্নামেন্ট (টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ)

২০০৭: শহীদ আফ্রিদি (পাকিস্তান)

২০০৯: তিলকারত্নে দিলশান (শ্রীলঙ্কা)

২০১০: কেভিন পিটারসেন (ইংল্যান্ড)

২০১২: শেন ওয়াটসন (অস্ট্রেলিয়া)

২০১৪: বিরাট কোহলি (ভারত)

২০১৬: বিরাট কোহলি (ভারত)

২০২১: ডেভিড ওয়ার্নার (অস্ট্রেলিয়া)

২০২২: স্যাম কারান (ইংল্যান্ড)

২০২৪: জসপ্রিত বুমরাহ (ভারত)

Download
  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
ভলিবলের কামাল আর নেই
ভলিবলের কামাল আর নেই
বিসিবির কেন্দ্রীয় চুক্তিতে বাড়ছে ক্রিকেটারের সংখ্যা
বিসিবির কেন্দ্রীয় চুক্তিতে বাড়ছে ক্রিকেটারের সংখ্যা
চ্যাম্পিয়ন্স লিগ প্লে-অফে বেনফিকা–রিয়াল, মোনাকো–পিএসজি জুটি
চ্যাম্পিয়ন্স লিগ প্লে-অফে বেনফিকা–রিয়াল, মোনাকো–পিএসজি জুটি