তারেক রহমান:
পোশাকের মতোই রপ্তানি হবে যশোরের ফুল

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান যশোর উপশহর ডিগ্রি কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী জনসভায় বলেছেন, দেশের একটি রাজনৈতিক দল সবসময় মিথ্যা বলছে এবং ভোটপ্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করতে পরিকল্পিতভাবে মাঠে নেমেছে। তিনি জনগণকে সতর্ক ও সজাগ থাকার আহ্বান জানান।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) যশোরের অর্থনীতি প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, এ অঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ শিল্প হলো ফুল চাষ। গার্মেন্টস পণ্যের মতো ফুলও বিদেশে রপ্তানি করার সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, স্থানীয় উদ্যোক্তারা আন্তর্জাতিক বাজারে যশোরের ফুল রপ্তানি করতে সক্ষম হবেন।
তিনি বলেন, ওই রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতা কর্মজীবী নারীদের নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেছেন। এ নিয়ে দেশের মানুষ প্রতিবাদে সোচ্চার হলে বলা হয়েছে, ওই নেতার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়েছিল। তবে তারেক রহমান উল্লেখ করেন, প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়নি।
তারেক রহমান বলেন, “একটি রাজনৈতিক দল সবসময়ই মিথ্যা বলে আসছে। যারা মানুষের কাছে মিথ্যা বলে, তারাই আবার মানুষের কাছ থেকে বিকাশ নম্বর সংগ্রহ করে। এটাই তাদের প্রকৃত চরিত্র।” তিনি আরও বলেন, জনগণকে সঙ্গে নিয়ে তাদের সব ষড়যন্ত্র রুখে দিতে হবে।
বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রসঙ্গও উল্লেখ করে তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে ওই দলের ভূমিকার কারণে লাখ লাখ মা ও বোন নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন। এই ইতিহাসের পাঠ আজও জনগণকে সতর্ক থাকতে শেখায়।
জনসভা মঞ্চ থেকে তারেক রহমান যশোর ও কুষ্টিয়া অঞ্চলের সাত জেলার বিএনপি মনোনীত ২২ জন প্রার্থীকে পরিচয় করিয়ে দেন এবং জনগণকে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।
জনসভায় সভাপতিত্ব করেন যশোর জেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাবেরুল হক। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হেসেন খোকন। এছাড়া বক্তব্য দেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মেহেদী আহমেদ, ভাইস চেয়ারম্যান নিতাই রায় চৌধুরী ও নার্গিস বেগম, খুলনা বিভাগীয় ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক ও যশোর-৩ আসনের প্রার্থী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
জনসভায় উপস্থিত স্থানীয় মানুষদের মধ্যে শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষও ছিলেন। তারা তারেক রহমানের নির্বাচনী পরিকল্পনা ও যশোর অঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়ন উদ্যোগে উৎসাহ প্রকাশ করেন।
এ নির্বাচনী জনসভা স্থানীয় রাজনৈতিক পরিবেশকে তীব্রভাবে প্রভাবিত করার পাশাপাশি ভোটারদের মধ্যে সচেতনতা ও অংশগ্রহণ বৃদ্ধির লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছে। তারেক রহমানের বক্তব্যের মূল বিষয় ছিল সৎ নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা এবং জনগণকে মিথ্যা তথ্য থেকে দূরে রাখা।
ভিওডি বাংলা/জা







