ঢাকা সেনানিবাসে বাগবিতণ্ডা:
ক্ষমাপ্রার্থী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ডা. খালিদুজ্জামান

ঢাকা সেনানিবাসের চেকপোস্টে সেনা সদস্যের সঙ্গে বাগবিতণ্ডার ঘটনায় নতুন করে আলোচনায় এসেছেন ঢাকা-১৭ আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ডা. এস এম খালিদুজ্জামান। সম্প্রতি ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী সেনা সদস্যদের সঙ্গে উত্তেজিতভাবে বাকবিতণ্ডায় জড়ান এবং সেনাবাহিনী নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেন বলে অভিযোগ ওঠে।
ঘটনার পর ডা. খালিদুজ্জামান ইতোমধ্যেই দুঃখ প্রকাশ করেছেন এবং ভবিষ্যতে সতর্ক থাকার আশ্বাস দিয়েছেন। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে তিনি বলেন, "ঘটনাটি মাসখানেক আগের। আমি এর জন্য দুঃখ প্রকাশ করছি। আমি ক্ষমাপ্রার্থী। ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের ঘটনা আর না ঘটে সে বিষয়ে সতর্ক থাকব।"

এর আগে দুপুরে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে ‘সেনাবাহিনীর সাথে আমার ঘটে যাওয়া ভুল বোঝাবুঝি’ শিরোনামে দেওয়া স্ট্যাটাসে ডা. খালিদ লিখেছেন, "ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় প্রবেশকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের গর্ব ও অহংকার, সার্বভৌমত্বের অতন্দ্র প্রহরী সেনাবাহিনীর দায়িত্বে থাকা সদস্যদের সঙ্গে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছিল, যা মিশ্র প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছে।"
তিনি আরও উল্লেখ করেন, "বিষয়টি ইতোমধ্যে সমাধান হয়ে গেছে। তবে কিছু স্বার্থান্বেষী মহল এই সমাধানকৃত ইস্যুকে কেন্দ্র করে পরিস্থিতিকে অন্য খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করছে। তবুও আমি দুঃখ প্রকাশ করছি এবং ভবিষ্যতে যেন এমন ভুল বোঝাবুঝি আর না হয় সে বিষয়ে সচেষ্ট থাকব ইনশাআল্লাহ।"
ভিডিওতে দেখা যায়, ডা. খালিদ নিজেকে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে পরিচয় দেন এবং অভিযোগ করেন, বিএনপিকে বেশি সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। উত্তেজনার মধ্যে উপস্থিত সেনা সদস্যরা তাকে শান্ত করার চেষ্টা করেন। তারা ভিডিওতে প্রকাশ করে, আইন ও বিধির বাইরে তারা কোনো পদক্ষেপ নিতে পারছেন না।
ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ায় জনসাধারণের মধ্যে নানান প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, নির্বাচনের প্রাক্কালে এমন ঘটনা প্রার্থীর সামাজিক গ্রহণযোগ্যতায় প্রভাব ফেলতে পারে।
ঢাকা-১৭ আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী হিসেবে প্রার্থী হওয়া ডা. খালিদুজ্জামান এখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দুঃখ প্রকাশ এবং ক্ষমা প্রার্থনার মাধ্যমে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি আশ্বাস দিয়েছেন, ভবিষ্যতে এমন কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি আর ঘটবে না।
ভিওডি বাংলা/জা







