• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১

তারেক রহমান:

জনগণ চাইলে শেখ হাসিনার সন্তানরাও রাজনীতিতে ফিরতে পারবেন

নিজস্ব প্রতিবেদক    ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০১:১৭ পি.এম.
তারেক রহমান -ছবি: সংগৃহীত

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, জনগণ চাইলে যে কেউ রাজনীতিতে ফেরার সুযোগ পেতে পারে, এমনকি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সন্তানরাও।

শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি এই মুহূর্তে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের মুখে। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে, ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ অংশগ্রহণ করতে পারছে না। জুলাই অভ্যুত্থানের পর দলটি কার্যত রাজনৈতিক কার্যক্রম থেকে সরে গেছে, যার ফলে বিএনপি সরকার গঠনের দৌড়ে এগিয়ে রয়েছে বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে।

সাক্ষাৎকারে রয়টার্সের পক্ষ থেকে জানতে চাওয়া হয়, যদি বিএনপি সরকার গঠন করে, তাহলে শেখ হাসিনার সন্তান সজীব ওয়াজেদ জয় এবং সায়মা ওয়াজেদ পুতুল কি রাজনীতিতে ফেরার সুযোগ পাবেন কি না। জবাবে তারেক রহমান বলেন, “যদি জনগণ কাউকে গ্রহণ করে, যদি মানুষ তাদের স্বাগত জানায়, তাহলে যে কারও রাজনীতি করার অধিকার আছে।”

বর্তমানে ভারতে অবস্থানরত ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মৃত্যুদণ্ডের রায় কার্যকর হয়েছে। তার সন্তানরাও দেশের বাইরে রয়েছেন এবং তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মামলার বিচার প্রক্রিয়া চলছে।

তারেক রহমানের মন্তব্য রাজনৈতিক মহলে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি করেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিএনপির এই অবস্থান দেশের রাজনীতিতে প্রভাব ফেলতে পারে এবং নির্বাচনের ফলাফলের ওপর সরাসরি প্রভাব পড়তে পারে।

রাজনীতিবিদরা মনে করছেন, জনগণের চাহিদা এবং গ্রহণযোগ্যতার ওপর ভিত্তি করে ব্যক্তির রাজনৈতিক অংশগ্রহণকে প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে, যা নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় নতুন দিক নির্দেশ করতে পারে।

ভিওডি বাংলা/জা

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
সংস্কার নিয়ে সরকার প্রতারণা করছে, সনদ বাস্তবায়নে তাদের বাধ্য করতে হবে
জাতীয় নাগরিক পার্টি সংস্কার নিয়ে সরকার প্রতারণা করছে, সনদ বাস্তবায়নে তাদের বাধ্য করতে হবে
সংসদের প্রথম অধিবেশন ব্যর্থ হয়েছে : নাহিদ ইসলাম
সংসদের প্রথম অধিবেশন ব্যর্থ হয়েছে : নাহিদ ইসলাম
মানবাধিকার সার্বজনীন, ভিন্নমত দমনের সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে
মানবাধিকার সার্বজনীন, ভিন্নমত দমনের সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে