• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১

আজ ভোট ও গণভোট ঘিরে মাঠে নামছে ১,০৫১ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট

নিজস্ব প্রতিবেদক    ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:৪৭ এ.এম.
ছবি-ভিওডি বাংলা

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে সারাদেশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকে মাঠে নামছেন ১ হাজার ৫১ জন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট। তারা আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত নির্বাচনী মাঠে দায়িত্ব পালন করবেন।

শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ গণমাধ্যমকে এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, নির্বাচনের আগে, চলাকালীন এবং পরবর্তী সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রশাসন সর্বোচ্চ প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটদের পাশাপাশি সেনাবাহিনীসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাও দায়িত্ব পালন শুরু করছেন।

নির্বাচন কমিশনার মাছউদ জানান, সেনাবাহিনী ইতোমধ্যে মাঠে রয়েছে এবং রোববার থেকে আরও সদস্য যুক্ত হবে। আনুষ্ঠানিকভাবে ভোটের আগে ও পরে মোট সাত দিন সেনাবাহিনী মাঠে দায়িত্ব পালন করবে। এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের একাধিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে বলেও জানান তিনি।

তিনি বলেন, “আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধিরা আমাদের আশ্বস্ত করেছেন যে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো রয়েছে এবং নির্বাচন আয়োজনের জন্য পরিবেশ সহায়ক।” একই সঙ্গে তিনি জানান, ভোটগ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

নির্বাচন কমিশনার আরও বলেন, সব ব্যালট বাক্স ইতোমধ্যে জেলা পর্যায়ে পাঠানো হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা সেগুলো গ্রহণ করছেন। এখন প্রশাসন ও নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সবাই ভোটের দিনকে সামনে রেখে চূড়ান্ত প্রস্তুতিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

এর আগে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক পরিপত্রে জানানো হয়, নির্বাচন সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে সারাদেশে পুলিশ, বিজিবি, আনসার ও ভিডিপি, কোস্ট গার্ডসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হবে। একই সঙ্গে বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তার জন্য ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদেরও মাঠে রাখা হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এবারের নির্বাচনে বিভিন্ন বাহিনীর মোট ৯ লাখ ৭০ হাজারের বেশি সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি থাকবে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর (ভিডিপি) সদস্য-সংখ্যা ৫ লাখ ৭৬ হাজার ৪৮৩ জন। সেনাবাহিনীর সদস্য থাকবে ১ লাখ ৩ হাজার। পাশাপাশি নৌবাহিনীর ৫ হাজার, বিমানবাহিনীর ৩ হাজার ৭৩০ জন সদস্য দায়িত্বে থাকবেন।

এ ছাড়া বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) থেকে ৩৭ হাজার ৪৫৩ জন, কোস্ট গার্ডের ৩ হাজার ৫৮৫ জন, পুলিশের ১ লাখ ৮৭ হাজার ৬০৩ জন, র‍্যাবের ৯ হাজার ৩৪৯ জন এবং চৌকিদার ও দফাদার মিলিয়ে ৪৫ হাজার ৮২০ জন সদস্য নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করবেন।

পরিপত্র অনুযায়ী, সশস্ত্র বাহিনী, বিজিবি, কোস্ট গার্ড, র‍্যাব, পুলিশ, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) ও আনসার ব্যাটালিয়ন মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবে। বিজিবি, র‍্যাব, এপিবিএন এবং আনসার ব্যাটালিয়ন জেলা, উপজেলা ও থানা পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করবে।

উপকূলীয় এলাকাগুলোতে বিশেষভাবে কোস্ট গার্ড মোতায়েন থাকবে। সব বাহিনী সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে রিপোর্ট করবে এবং তাঁদের নির্দেশনা অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করবে বলে পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়।

ভিওডি বাংলা/জা

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
চাঁদ দেখা যায়নি, ঈদ শনিবার
চাঁদ দেখা যায়নি, ঈদ শনিবার
তারেক রহমানকে ঈদশুভেচ্ছা জানিয়ে মোদির চিঠি
তারেক রহমানকে ঈদশুভেচ্ছা জানিয়ে মোদির চিঠি
নৌকা থেকে লঞ্চে যাত্রী ওঠা সম্পূর্ণ বন্ধ করা হবে
নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী নৌকা থেকে লঞ্চে যাত্রী ওঠা সম্পূর্ণ বন্ধ করা হবে