• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির পদত্যাগ

ভিওডি বাংলা ডেস্ক    ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:৫৪ পি.এম.
ছবি: সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ঠিক একদিন আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিলেন। তবে তিনি জানিয়েছেন, নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব গ্রহণ না করা পর্যন্ত প্রশাসনিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখার জন্য কিছুদিন দায়িত্ব পালন করবেন।

মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে উপাচার্য কার্যালয় সংলগ্ন অধ্যাপক আব্দুল মতিন চৌধুরী ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি পদত্যাগের কথা জানান।

উপাচার্য বলেন, “আমি সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি, যাতে নির্বাচিত রাজনৈতিক সরকার তাদের নিজেদের মতো করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সাজাতে পারে।” তবে তিনি স্পষ্ট করেন, এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগপত্র জমা দেননি।

ড. নিয়াজ আহমদ খান আরও বলেন, “নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণ না করা পর্যন্ত আমি প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করে যাব এবং নির্বাচনের পর দায়িত্ব হস্তান্তরের পুরো প্রক্রিয়ায় নির্বাচিত সরকারের সঙ্গে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করব। আমি কোনো শূন্যতা তৈরি করতে চাই না। প্রশাসনিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখাই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।”

পদত্যাগের কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, “যে সরকারই নির্বাচিত হোক, তাদের নিজস্ব কর্মপরিকল্পনা থাকে। বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো একটি জাতীয় প্রতিষ্ঠানে সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সুযোগ দেওয়া রাজনৈতিক শিষ্টাচারের অংশ।” তিনি জোর দিয়ে বলেন, হঠাৎ পদত্যাগ করলে ভুল বার্তা যেতে পারে। তাই নির্বাচন হওয়ার আগে তিনি নিজের অবস্থান স্পষ্ট করছেন, যাতে নতুন সরকারের সঙ্গে কোনো ভুল বোঝাবুঝি বা মনোমালিন্য না হয়।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ১০ আগস্ট তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল পদত্যাগ করেন। এরপর ২৭ আগস্ট শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে সাময়িকভাবে নিয়োগ পান অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান।

ড. নিয়াজ আহমদ খান সংবাদ সম্মেলনে বলেন, “দায়িত্ব নেওয়ার সময় যে পরিস্থিতি ছিল, তার অনেকটাই এখন উন্নত হয়েছে। দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ালেও বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থে প্রয়োজনে আমি সহযোগিতামূলক ভূমিকা রাখতে প্রস্তুত। আপাতত আমি মূল পেশা শিক্ষকতায় ফিরে যেতে আগ্রহী।”

তিনি বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কোনো ব্যক্তির ওপর নির্ভরশীল নয়। এটি একটি জাতীয় প্রতিষ্ঠান, যেখানে ধারাবাহিকতা ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

সংবাদ সম্মেলনের শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি পুনরায় নিশ্চিত করেন, “আমার এই সিদ্ধান্ত কোনো রাজনৈতিক চাপের ফল নয়। এটি সম্পূর্ণ স্বেচ্ছায়, প্রাতিষ্ঠানিক স্বার্থ বিবেচনা করেই নেওয়া।”

ভিওডি বাংলা/এমএস 

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য জরুরি নির্দেশনা
দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য জরুরি নির্দেশনা
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ইলেকট্রিক বাস আমদানি করলে শুল্ককর লাগবে না
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ইলেকট্রিক বাস আমদানি করলে শুল্ককর লাগবে না
বুলিং-ইভটিজিং ঠেকাতে ৫১৭ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বসছে সিসিটিভি
বুলিং-ইভটিজিং ঠেকাতে ৫১৭ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বসছে সিসিটিভি