• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live
টপ নিউজ
পরিবেশ রক্ষায় সম্মিলিত উদ্যোগ ছাড়া টেকসই নগরী সম্ভব নয় বিডার ভরসা দেশি বিনিয়োগে ঋণখেলাপি ইস্যুতে উত্তপ্ত সংসদ, তুমুল বিতর্ক চোখের চিকিৎসা সহজলভ্য করতে অপটোমেট্রি পেশার স্বীকৃতি প্রয়োজন: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বিমানবাহিনী কর্মকর্তার স্ত্রী হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার সদরঘাটে নৌ পুলিশের অভিযানে অস্ত্রসহ দুই ডাকাত গ্রেপ্তার মাদক প্রতিরোধে এলাকাভিত্তিক কমিটি গঠনের আহ্বান ডিএসসিসি প্রশাসকের সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের ১২ হাজার কোটি টাকা বনদস্যুতা নির্মূলে বিশেষ অভিযান চালানো হচ্ছে: কোস্ট গার্ড ডিজি পর্তুগালের ড্রতে র‍্যাঙ্কিংয়ে বড় পরিবর্তন, লাভে ব্রাজিল

সেহরিতে একসঙ্গে বেশি পানি পান কি ঠিক?

লাইফস্টাইল    ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৬:৫০ পি.এম.
ধীরে ধীরে এবং সুষমভাবে পানি পান করা স্বাস্থ্যকর-ছবি: সংগৃহীত

রমজান মাসে রোজা রাখার সময় পানিশূন্যতা নিয়ে অনেকেরই চিন্তা থাকে। এই কারণে অনেকেই সেহরির শেষ মুহূর্তে একবারে একাধিক গ্লাস পানি পান করার চেষ্টা করেন, ভেবে যে এতে সারাদিনে তৃষ্ণা কম লাগবে। তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেন, এই অভ্যাস সবসময় উপকারী হয় না।

শরীর একসঙ্গে খুব বেশি পানি ধরে রাখতে পারে না। সেহরির শেষ সময়ে হঠাৎ অতিরিক্ত পানি খেলে কিডনি দ্রুত তা প্রস্রাবের মাধ্যমে বের করে দেয়। ফলে ফজরের পরই আবার তৃষ্ণা অনুভূত হতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে পেট ভারী লাগা, অস্বস্তি বা ফাঁপা ভাবও দেখা দেয়।

রোজার সময় পিপাসা শুধু পানির পরিমাণের ওপর নির্ভর করে না। শরীরের লবণ ও পানির ভারসাম্য এখানে বড় ভূমিকা রাখে। যদি ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত পর্যাপ্ত পানি খাওয়া না হয়, তাহলে এই ভারসাম্য ঠিক থাকে না এবং দিনের বেলায় তৃষ্ণা বাড়ে।

পুষ্টিবিদরা বলছেন, সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো ইফতারের পর থেকে সেহরি পর্যন্ত সময়টাকে কাজে লাগানো। এই পুরো সময় জুড়ে অল্প অল্প করে পানি পান করলে শরীর ধীরে ধীরে তা শোষণ করতে পারে। সেহরির সময় মাঝারি পরিমাণ পানি খাওয়া যায়, তবে একসঙ্গে অনেকটা নয়। খুব ঠান্ডা পানি এড়িয়ে চলাও ভালো।

সেহরির খাবারও গুরুত্বপূর্ণ। ফলমূল, শাকসবজি ও আঁশযুক্ত খাবারে প্রাকৃতিকভাবে পানি থাকে, যা শরীরকে আর্দ্র রাখতে সাহায্য করে। অন্যদিকে অতিরিক্ত লবণাক্ত, ভাজাপোড়া বা ঝাল খাবার খেলে দিনের বেলায় পিপাসা আরও বাড়ে।

সব মিলিয়ে বলা যায়, সেহরির শেষ সময়ে বেশি পানি খাওয়া কোনো জাদুকরি সমাধান নয়। বরং সঠিক সময়ে, সঠিক পরিমাণে পানি পান ও সুষম খাবার গ্রহণই রোজায় সুস্থ থাকার সবচেয়ে কার্যকর উপায়। রমজানে শরীর ভালো রাখতে হলে তাড়াহুড়ো নয়, প্রয়োজন সচেতন অভ্যাস ও ধৈর্য।

ভিওডি বাংলা/জা

 

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
ঘুমের শত্রু ছারপোকা
ঘুমের শত্রু ছারপোকা
হিটস্ট্রোকের আগে শরীর যেসব সংকেত দেয়
হিটস্ট্রোকের আগে শরীর যেসব সংকেত দেয়
অতিরিক্ত মাংস খাওয়ার পর গ্যাস্ট্রিক ও বদহজমে কী খাবেন?
অতিরিক্ত মাংস খাওয়ার পর গ্যাস্ট্রিক ও বদহজমে কী খাবেন?