• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live
টপ নিউজ
শেষ ২৩ মিনিটে ৫ গোল, বসনিয়াকে ৪-১ গোলে হারাল সুইজারল্যান্ড জুয়া প্রতিরোধসহ চারটি গুরুত্বপূর্ণ আইনের খসড়া অনুমোদন পরিবেশ রক্ষায় সম্মিলিত উদ্যোগ ছাড়া টেকসই নগরী সম্ভব নয় বিডার ভরসা দেশি বিনিয়োগে ঋণখেলাপি ইস্যুতে উত্তপ্ত সংসদ, তুমুল বিতর্ক চোখের চিকিৎসা সহজলভ্য করতে অপটোমেট্রি পেশার স্বীকৃতি প্রয়োজন: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বিমানবাহিনী কর্মকর্তার স্ত্রী হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার সদরঘাটে নৌ পুলিশের অভিযানে অস্ত্রসহ দুই ডাকাত গ্রেপ্তার মাদক প্রতিরোধে এলাকাভিত্তিক কমিটি গঠনের আহ্বান ডিএসসিসি প্রশাসকের সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের ১২ হাজার কোটি টাকা

ঈদে মুরগি-ডিমের দাম বৃদ্ধি, সেমাই-চিনির বাজার তুঙ্গে

নিজস্ব প্রতিবেদক    ১৩ মার্চ ২০২৬, ০১:৩৪ পি.এম.
দেশের বিভিন্ন বাজারে মুরগি ও ডিমের দাম বৃদ্ধি-ছবি: সংগৃহীত

ঈদের আগেই দেশের বিভিন্ন বাজারে মুরগি ও ডিমের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে, যা ক্রেতাদের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগির দাম ২৫ থেকে ৩৫ টাকা এবং সোনালি মুরগির দাম প্রায় ২০ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। ডিমের ডজনও বেড়েছে পাঁচ থেকে ১০ টাকায়। অন্যদিকে ঈদকে ঘিরে সেমাই ও চিনির বিক্রি তুঙ্গে পৌঁছেছে।

শুক্রবার (১৩ মার্চ) রাজধানীর খিলক্ষেত, কারওয়ান বাজার, শান্তিনগর, আগারগাঁও এবং রামপুরা কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, ব্রয়লার মুরগির প্রতি কেজির দাম ২০০ থেকে ২১০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩২০ থেকে ৩৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। রোজা শুরুর আগের দিন ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ২০০ থেকে ২২০ টাকায় বিক্রি হতো, পরে এক সপ্তাহের মধ্যে দাম কমে ১৬০ থেকে ১৬৫ টাকায় নেমে আসে। তবে আবার ক্রমবর্ধমান চাহিদার কারণে দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।

খিলক্ষেত কাঁচাবাজারের মুরগি বিক্রেতা রাহাত বলেন, “প্রতি বছর ঈদের কয়েকদিন আগে মুরগির দাম বেড়ে যায়। তবে এবার পাইকারি বাজারে ১০ রোজার পর থেকেই দাম বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছে। ঈদের আগে চাহিদা আরও বাড়বে, তাই দাম কমার সম্ভাবনা কম।”

ডিমের বাজারেও গত সপ্তাহের তুলনায় বৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে। ফার্মের বাদামি ডিমের ডজন গত সপ্তাহে ১০০ থেকে ১০৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছিল, বর্তমানে তা ১১০ টাকায় পৌঁছেছে।

ব্রয়লার মুরগির দাম বেড়ে যাওয়ায় অনেক ক্রেতা বিকল্প হিসেবে মাছের বাজারে ভিড় করছেন। এর ফলে মাছের চাহিদাও কিছুটা বেড়ে গেছে।

কয়েকদিন ধরে বাজারে ভোজ্যতেলের সংকট দেখা গেলেও এখন সরবরাহ কিছুটা বেড়েছে। খোলা ও বোতলজাত উভয় ধরনের তেল বাজারে পাওয়া যাচ্ছে। তবে সংকটের সময় লিটারে চার থেকে সাত টাকা বাড়া দাম এখনও বহাল রয়েছে।

ঈদ এখনও ৭-৮ দিন বাকি থাকলেও সেমাই ও চিনির দোকানগুলোতে ক্রেতাদের ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বাজারে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের লাচ্ছা সেমাই পাওয়া যাচ্ছে। খোলা লাচ্ছা সেমাই প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে ২০০ টাকায়। বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ছোট প্যাকেটজাত লাচ্ছা সেমাই পাওয়া যাচ্ছে ৪৫ থেকে ৭০ টাকায়। সাধারণ মানের বাংলা সেমাই কেজিতে বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৯০ টাকায়। চিনির কেজি বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১১০ টাকায়।

সবজির বাজারে কিছুটা স্বস্তি দেখা যাচ্ছে। বর্তমানে বেগুনের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকায়, যা রোজার শুরুতে ১৩০ থেকে ১৫০ টাকায় বিক্রি হত। উচ্ছে ৭০ থেকে ৮০, শিম ৪৫ থেকে ৫০, গাজর ৪০ থেকে ৫০, চিচিঙ্গা ৭০ থেকে ৮০, শসা ৪০ থেকে ৫০, আলু ২০ থেকে ২২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পেঁয়াজের দাম আগের মতো ৩৫ থেকে ৪৫ টাকায় রয়েছে।

মাছের বাজারেও ক্রেতাদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।  মাছের বাজারে প্রতি কেজি পাঙাশ ২০০ থেকে ২২০ টাকা, তেলাপিয়া ২৩০ টাকা, রুই ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা ও মৃগেল ৩০০ থেকে ৩২০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। এ ছাড়া দেশি টেংরা ৭০০ টাকা, বেলে ৩৫০ টাকা, বাইন ৭০০ টাকা, পাবদা ৩৫০ টাকা, শিং ৪০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা, শোল ৭০০ টাকা এবং টাকি ৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে চিংড়ির দাম সবচেয়ে বেশি; আকার ও জাতভেদে প্রতি কেজিতে খরচ করতে হচ্ছে ৫৫০ থেকে ৯০০ টাকা।

ভিওডি বাংলা/জা

 

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
প্রথমবারের মতো ভ্যাটসহ সোনার দাম নির্ধারণ, ভরিতে কমলো ৯০১৩ টাকা
প্রথমবারের মতো ভ্যাটসহ সোনার দাম নির্ধারণ, ভরিতে কমলো ৯০১৩ টাকা
প্রস্তাবিত বাজেট বাস্তবসম্মত ও সময়োপযোগী: ওয়েব
প্রস্তাবিত বাজেট বাস্তবসম্মত ও সময়োপযোগী: ওয়েব
তামাকপণ্য সহজলভ্য হলে রাজস্ব আয় কমবে: আহছানিয়া মিশন
তামাকপণ্য সহজলভ্য হলে রাজস্ব আয় কমবে: আহছানিয়া মিশন