কুয়েতে ড্রোন হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

যুদ্ধবিরতির মধ্যেই উপসাগরীয় অঞ্চলে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে—কুয়েতের ভূখণ্ডে ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটি, পাশাপাশি এ ঘটনাকে কুয়েতের সার্বভৌমত্ব ও আকাশসীমার সরাসরি লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় দিনে উপসাগরীয় অঞ্চলে এটিই প্রথম হামলার ঘটনা।
কুয়েতের ন্যাশনাল গার্ড এক বিবৃতিতে জানায়, তাদের একটি স্থাপনাকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। এতে ‘ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তবে কেউ হতাহত হননি।’
এর আগে কুয়েতের সেনাবাহিনী জানায়, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ‘বর্তমানে শত্রুপক্ষের ড্রোন হামলা প্রতিহত’ করছে। ড্রোনগুলো আকাশসীমা ভেদ করে দেশের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় আঘাত হানে বলেও জানানো হয়।
অন্যদিকে, ইরানের বিপ্লবী বাহিনী রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে যুদ্ধবিরতির সময় উপসাগরীয় দেশগুলোর ওপর হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তারা জানায়, ‘ইরান যদি কোনো হামলা চালায়, তবে তা একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতির মাধ্যমে প্রকাশ্যে ঘোষণা করা হবে।’
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার মাধ্যমে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে উপসাগরীয় দেশগুলোতে শত শত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। এসব হামলা ইরানের পক্ষ থেকে চালানো হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ভিওডি বাংলা/এমএস







