ইরান-যুক্তরাষ্ট্র বৈঠকের আগে লেবাননে বিমান হামলা

যুদ্ধবিরতি ও কূটনৈতিক আলোচনার আবহের মধ্যেই আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে মধ্যপ্রাচ্য—পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতির পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের বৈঠক শুরুর আগ মুহূর্তে লেবাননে নতুন করে বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) ভোরের পর থেকে লেবাননের সারাফান্দ শহরে দুই দফা বিমান হামলা চালানো হয় বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।
এছাড়া আল-বেইশারিয়াহ উপকণ্ঠের খিরবাত আল-দোয়ায়ের এলাকাতেও ইসরায়েলি বাহিনীর হামলার তথ্য প্রকাশ করেছে লেবাননের সরকারি সংবাদ সংস্থা ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সি (এনএনএ)।
অন্যদিকে, যুদ্ধ পরিস্থিতির বিস্তৃত চিত্রে দেখা যায়, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যৌথ বাহিনী ইরানে হামলা চালায়। ওই দিনের হামলায় দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা ইমাম আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হন বলে উল্লেখ করা হয়। একই দিনে মিনাবের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মার্কিন ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ১৬৮ জন শিক্ষার্থী নিহত হওয়ার ঘটনাও জানানো হয়।
ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত যৌথ বাহিনীর হামলায় ২ হাজার ৭৬ জন নিহত এবং ২৬ হাজারের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন।
এদিকে ২ মার্চ থেকে ইসরায়েলের সামরিক বাহিনীর হামলায় লেবাননে ১ হাজার ৭৩৯ জন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। একই সময়ে সাড়ে পাঁচ হাজারের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন।
তবে ৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরপরই লেবাননে ব্যাপক বিমান হামলা চালায় ইসরায়েলি বাহিনী।
এরপর মাত্র ১০ মিনিটের ব্যবধানে চালানো প্রায় ১০০টি বিমান হামলায় ২৫৪ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ ও নিরপেক্ষ তদন্তের আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশন এর হাইকমিশনার ভলকার টার্ক। একই সঙ্গে এই হামলাকে গণহত্যা হিসেবে আখ্যা দিয়েছে আন্তর্জাতিক রেডক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট আন্দোলন।
ভিওডি বাংলা/এমএস







