• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live
টপ নিউজ
পরিবেশ রক্ষায় সম্মিলিত উদ্যোগ ছাড়া টেকসই নগরী সম্ভব নয় বিডার ভরসা দেশি বিনিয়োগে ঋণখেলাপি ইস্যুতে উত্তপ্ত সংসদ, তুমুল বিতর্ক চোখের চিকিৎসা সহজলভ্য করতে অপটোমেট্রি পেশার স্বীকৃতি প্রয়োজন: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বিমানবাহিনী কর্মকর্তার স্ত্রী হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার সদরঘাটে নৌ পুলিশের অভিযানে অস্ত্রসহ দুই ডাকাত গ্রেপ্তার মাদক প্রতিরোধে এলাকাভিত্তিক কমিটি গঠনের আহ্বান ডিএসসিসি প্রশাসকের সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের ১২ হাজার কোটি টাকা বনদস্যুতা নির্মূলে বিশেষ অভিযান চালানো হচ্ছে: কোস্ট গার্ড ডিজি পর্তুগালের ড্রতে র‍্যাঙ্কিংয়ে বড় পরিবর্তন, লাভে ব্রাজিল

শান্তি আলোচনা যখন ভেস্তে যাচ্ছিল, ট্রাম্প তখন কুস্তি দেখছিল

নিজস্ব প্রতিবেদক    ১২ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:২৪ পি.এম.
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প: ছবি: সংগৃহীত

পাকিস্তানে দাঁড়িয়ে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স যখন ঘোষণা করলেন যে, ইরান যুদ্ধের অবসানে কোনো চুক্তি হয়নি।  ঠিক তখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মিক্সড মার্শাল আর্টস (ইউএফসি) লড়াই উপভোগ করছিলেন।

নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মায়ামির সেই অ্যারেনায় কয়েক ঘণ্টা কাটান ট্রাম্প। তার চারপাশে ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, পরিবারের কয়েকজন সদস্য, ইউএফসি কর্মকর্তারা, যুক্তরাষ্ট্রের ভারতস্থ রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর, সংগীতশিল্পী ভ্যানিলা আইস, সাবেক এফবিআই কর্মকর্তা ড্যান বনগিনো এবং পডকাস্টার জো রোগান।

যখন পাকিস্তানে ভ্যান্স সাংবাদিকদের বলছিলেন, ‘দুঃসংবাদ হলো, আমরা কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে পারিনি,’ তখন মায়ামিতে ট্রাম্প বড় স্ক্রিনে লড়াইয়ের হাইলাইট দেখছিলেন।

এত মানুষের মাঝেও ট্রাম্পকে দেখা যায় অনেকটা বিচ্ছিন্ন। লোকজন তার কাছে এসে আপডেট দিয়ে আবার সরে যাচ্ছিলেন। আর তিনি স্থিরভাবে বসে লড়াই দেখছিলেন।

ট্রাম্প অ্যারেনায় প্রবেশের সময় ইরানের সঙ্গে আলোচনার ব্যর্থতার খবর জানতেন কি না, তা স্পষ্ট নয়। তিনি ফোন ব্যবহার করেননি; বরং রুবিও একপর্যায়ে নিজের ফোন দেখান তাকে। তবুও ট্রাম্পের মুখে কোনো হতাশা বা রাগের ছাপ ছিল না। একপর্যায়ে ক্যামেরার দিকে হালকা হাসি, আর বিজয়ীদের উদ্দেশে থাম্বস-আপ দিতে দেখা যায় তাকে।

ফ্লোরিডায় যাওয়ার পথে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেছিলেন, চুক্তি হোক বা না হোক, তাতে তার কিছু যায় আসে না। তিনি দাবি করেন, ‘আমরাই জিতেছি, যেভাবেই হোক।’

তবে ওয়াশিংটনে ট্রাম্পের জন্য অপেক্ষা করছে কঠিন বাস্তবতা। দেশে বাড়ছে মূল্যস্ফীতি, জ্বালানির দামও বেড়েছে। আর এসবের জন্য তার নেওয়া যুদ্ধ সিদ্ধান্তকে দায়ী করছেন সমালোচকরা।

ইরানকে ‘সম্পূর্ণ ধ্বংস’ করার হুমকির কারণে ডেমোক্র্যাটদের পাশাপাশি তার কিছু সমর্থকও ক্ষুব্ধ। কংগ্রেসের ডেমোক্র্যাটরা তার অভিশংসন (ইমপিচমেন্ট) দাবি করছেন এবং তার মানসিক সক্ষমতা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন।

তবে এসব চাপ থেকে দূরে, মায়ামির সেই অ্যারেনায় ট্রাম্প যেন নিজের স্বস্তির জায়গায় ছিলেন। দর্শকদের উচ্ছ্বাস, আগ্রাসী লড়াই—সব মিলিয়ে পরিবেশটা অনেকটা তার রাজনৈতিক সমাবেশের মতোই।

একটির পর একটি লড়াই চলেছে। রক্তমাখা মেঝে, বিজ্ঞাপনে ভরা খাঁচা-সব কিছুতেই চোখ রেখেছিলেন তিনি।

তার সঙ্গে ছিলেন মেয়ে ইভাঙ্কা ট্রাম্প ও টিফানি ট্রাম্প, ছেলে ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়র এবং তার সঙ্গী বেটিনা অ্যান্ডারসন। তবে ভ্যান্সের সঙ্গে পাকিস্তানে থাকায় অনুপস্থিত ছিলেন ইভাঙ্কার স্বামী জ্যারেড কুশনার। 

ভিওডি বাংলা/আরআর/আরকেএইচ

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
লেবাননে হামলা বন্ধ না হলে এগোবে না সমঝোতা
লেবাননে হামলা বন্ধ না হলে এগোবে না সমঝোতা
বিশ্ববাজারে কমেছে জ্বালানি তেলের দাম
বিশ্ববাজারে কমেছে জ্বালানি তেলের দাম
অবশেষে যুদ্ধ বন্ধের সমঝোতা স্মারকে সই করল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান
অবশেষে যুদ্ধ বন্ধের সমঝোতা স্মারকে সই করল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান