• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live
টপ নিউজ
জুয়া প্রতিরোধসহ চারটি গুরুত্বপূর্ণ আইনের খসড়া অনুমোদন পরিবেশ রক্ষায় সম্মিলিত উদ্যোগ ছাড়া টেকসই নগরী সম্ভব নয় বিডার ভরসা দেশি বিনিয়োগে ঋণখেলাপি ইস্যুতে উত্তপ্ত সংসদ, তুমুল বিতর্ক চোখের চিকিৎসা সহজলভ্য করতে অপটোমেট্রি পেশার স্বীকৃতি প্রয়োজন: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বিমানবাহিনী কর্মকর্তার স্ত্রী হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার সদরঘাটে নৌ পুলিশের অভিযানে অস্ত্রসহ দুই ডাকাত গ্রেপ্তার মাদক প্রতিরোধে এলাকাভিত্তিক কমিটি গঠনের আহ্বান ডিএসসিসি প্রশাসকের সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের ১২ হাজার কোটি টাকা বনদস্যুতা নির্মূলে বিশেষ অভিযান চালানো হচ্ছে: কোস্ট গার্ড ডিজি

মনে পড়ে ২০০১ সালের সেই রক্তাক্ত সকাল? আজ সেই দিন

নিজস্ব প্রতিবেদক    ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৩৮ এ.এম.
ছবি: সংগৃহীত

২০০১ সালের ১৪ এপ্রিল, পহেলা বৈশাখের সকালে রাজধানীর রমনা পার্কের বটমূলে ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে ভয়াবহ বোমা হামলা হয়। হাজারো মানুষের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত এই সাংস্কৃতিক আয়োজনে সংঘটিত ওই হামলায় ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান ৯ জন এবং পরবর্তীতে আরও একজন মারা যান। আহত হন বহু মানুষ।

সেই সময়ের এই হামলা বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ সহিংস ঘটনার একটি হিসেবে বিবেচিত হয়, যা দেশের অসাম্প্রদায়িক চেতনার ওপর সরাসরি আঘাত হিসেবে দেখা হয়।

ঘটনার পর থেকে রমনা বটমূলের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ব্যাপকভাবে জোরদার করা হয়। প্রতিবছরই সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ, গোয়েন্দা নজরদারি এবং প্রযুক্তিনির্ভর নিরাপত্তা ব্যবস্থা যুক্ত করা হয়।

ছায়ানট এই ঘটনার পরও তাদের ঐতিহ্যবাহী বর্ষবরণ অনুষ্ঠান অব্যাহত রেখেছে, যা এখন বাংলাদেশের অসাম্প্রদায়িক সাংস্কৃতিক প্রতিরোধের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত।

আজও এই দিনটি এলেই রমনা বটমূল হয়ে ওঠে স্মৃতি, শোক এবং সাংস্কৃতিক প্রতিজ্ঞার এক মিশ্র অনুভূতির কেন্দ্র। একদিকে নববর্ষের আনন্দ, অন্যদিকে ইতিহাসের বেদনাদায়ক স্মৃতি—দুই অনুভূতি একসঙ্গে বাঙালির চেতনায় প্রতিফলিত হয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ঘটনা কেবল একটি হামলা নয়, বরং বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক স্বাধীনতা ও অসাম্প্রদায়িক পরিচয়ের ওপর একটি বড় আঘাত ছিল, যার প্রভাব এখনো সমাজে অনুভূত হয়।

নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন হরকাতুল জিহাদ আল ইসলামী (হুজি) এই হামলায় জড়িত ছিল। ২০০১ সালের ওই ঘটনার পর রমনা থানায় হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি পৃথক মামলা দায়ের করা হয়।

দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২০০৮ সালে সিআইডি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। এতে মোট ১৪ জনকে আসামি করা হয়।

ভিওডি বাংলা/আরকেএইচ/এমএস

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা কী শান্তির সূচনা, নাকি নতুন জটিলতার দরজা?
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা কী শান্তির সূচনা, নাকি নতুন জটিলতার দরজা?
ট্রাম্পের জন্মদিনের উৎসব যেনো শক্তিশালী রাজার ভাবমূর্তি ফেরানোর লড়াই
সিএনএন’র বিশ্লেষণ ট্রাম্পের জন্মদিনের উৎসব যেনো শক্তিশালী রাজার ভাবমূর্তি ফেরানোর লড়াই
বেনজীরকে ফিরিয়ে আনা কতটা সহজ?
বেনজীরকে ফিরিয়ে আনা কতটা সহজ?