• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১

ডিএসসিসিতে পশু জবাই ও মাংস ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা

নিজস্ব প্রতিবেদক    ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:০৮ পি.এম.
ছবি: ভিওডি বাংলা

রাজধানীর জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও নিরাপদ মাংস সরবরাহ নিশ্চিত করতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) উদ্যোগে পশু জবাইকারী, মাংস ব্যবসায়ী এবং ভেটেরিনারি কর্মকর্তাদের সাথে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় কোরবানিসহ সারাবছর জুড়ে স্বাস্থ্যসম্মতভাবে পশু জবাই, মাংস সংরক্ষণ ও বিপণনে বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ এবং তা উত্তরণের উপায় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

সোমবার (২০ এপ্রিল) রাজধানীর নগরভবনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. আবদুস সালাম বলেছেন, নগরীতে পশু জবাই ও মাংস বিক্রির ক্ষেত্রে শৃঙ্খলা আনতে নতুন ব্যবস্থাপনা চালু করা হবে। 

তিনি জানান, যেখানেই পশু জবাই করা হোক না কেন, সিটি কর্পোরেশনকে নির্ধারিত ফি প্রদান করতে হবে। প্রাথমিকভাবে এ কার্যক্রম ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে শুরু করা হবে, পরে ধাপে ধাপে ডিজিটাল ব্যবস্থায় রূপান্তর করা হবে।

তিনি আরও বলেন, সবাই একমত যে এখনই ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে কার্যক্রম শুরু করা প্রয়োজন, ভবিষ্যতে সেটি ডিজিটালে নেওয়া হবে। এতদিন যে সুযোগ ছিল না, এখন আমরা সেটিকে কাজে লাগাতে চাই।

প্রশাসক স্পষ্ট করে বলেন, সিটি কর্পোরেশনের অনুমোদিত সিল ছাড়া কোনো মাংস বিক্রি করা যাবে না। জবাই কার্যক্রমকে সুশৃঙ্খল করতে ইজারা ব্যবস্থাও চালু করা হবে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের মাধ্যমেই তা বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে।

তিনি আরও জানান, দুটি আধুনিক জবাইখানা স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। খুব তাড়াতাড়ি গরু জবাই এবং খাসি/ছাগল জবাইয়ে নির্ধারিত ফি ধার্য করা হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত মাংস ব্যবসায়ীরা সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগকে স্বাগত জানালেও বাস্তবায়ন নিয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরেন। তারা বলেন, জবাই কার্যক্রমে শৃঙ্খলা আনা এবং সিটি কর্পোরেশনের নির্ধারিত ফি প্রদান করতে তারা নীতিগতভাবে সম্মত। তবে নতুন নিয়ম কার্যকর করার আগে পর্যাপ্ত প্রস্তুতি ও অবকাঠামো নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তারা।

ব্যবসায়ীরা আরও বলেন, নির্ধারিত জবাইখানা, পানি সরবরাহ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত না হলে মাঠপর্যায়ে এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন কঠিন হবে। পাশাপাশি ফি নির্ধারণে ব্যবসায়ীদের সক্ষমতা ও বাজার পরিস্থিতিও বিবেচনায় নেওয়ার অনুরোধ জানান।

তারা দাবি করেন, ইজারা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে এবং প্রকৃত ব্যবসায়ীদের অগ্রাধিকার দিতে হবে, যাতে কোনো সিন্ডিকেট তৈরি না হয়। একই সঙ্গে ডিজিটাল ব্যবস্থায় যাওয়ার আগে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে সহজ ও হয়রানিমুক্ত প্রক্রিয়া চালুর ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা।

শেষে ব্যবসায়ীরা জানান, সিটি কর্পোরেশনের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করতে তারা প্রস্তুত আছেন, তবে বাস্তবমুখী পরিকল্পনা ও ধারাবাহিক তদারকি নিশ্চিত করা হলে এই উদ্যোগ সফল হবে।

ভিওডি বাংলা/সবুজ/আ

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
ক্যানসার হাসপাতালের উপ-পরিচালক আহমেদ হোসেনকে কুপিয়েছে দুর্বৃত্তরা
ক্যানসার হাসপাতালের উপ-পরিচালক আহমেদ হোসেনকে কুপিয়েছে দুর্বৃত্তরা
একদিনে হাম ও হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু
একদিনে হাম ও হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু
জামায়াত জোট প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ
সংরক্ষিত নারী আসন জামায়াত জোট প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ