• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live
টপ নিউজ
জুয়া প্রতিরোধসহ চারটি গুরুত্বপূর্ণ আইনের খসড়া অনুমোদন পরিবেশ রক্ষায় সম্মিলিত উদ্যোগ ছাড়া টেকসই নগরী সম্ভব নয় বিডার ভরসা দেশি বিনিয়োগে ঋণখেলাপি ইস্যুতে উত্তপ্ত সংসদ, তুমুল বিতর্ক চোখের চিকিৎসা সহজলভ্য করতে অপটোমেট্রি পেশার স্বীকৃতি প্রয়োজন: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বিমানবাহিনী কর্মকর্তার স্ত্রী হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার সদরঘাটে নৌ পুলিশের অভিযানে অস্ত্রসহ দুই ডাকাত গ্রেপ্তার মাদক প্রতিরোধে এলাকাভিত্তিক কমিটি গঠনের আহ্বান ডিএসসিসি প্রশাসকের সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের ১২ হাজার কোটি টাকা বনদস্যুতা নির্মূলে বিশেষ অভিযান চালানো হচ্ছে: কোস্ট গার্ড ডিজি

দেশের গণতন্ত্র রক্ষার জন্য ছাত্রদলের জন্ম : আবদুস সালাম

নিজস্ব প্রতিবেদক    ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৩৪ পি.এম.
ছবি : ভিওডি বাংলা

ছাত্রদলের জন্ম হিসাব-নিকাশের জন্য নয়, দেশের গণতন্ত্র রক্ষার জন্য বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম।

তিনি বলেন, গত ১৭ বছরে ছাত্রদল অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছে।  অনেকেই শিক্ষাজীবন ও পারিবারিক জীবন থেকে অনেক কিছু হারিয়েছে। কারও হাত গেছে, কারও চোখ গেছে—তবুও তারা কোনো প্রতিদান চায়নি।

সোমবার (২৭ এপ্রিল) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসির অডিটোরিয়ামে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কর্ম ও জীবন নিয়ে ‘কমল কুঁড়ি’ অনুষ্ঠানে এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। 

ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্দেশে আবদুস সালাম বলেন, এখনই রাজনীতি করার মুখ্য সময়, হতাশ হওয়ার কিছু নেই। তিনি দাবি করেন, যারা বিএনপিকে কিংবা তারেক রহমানকে ঠেকাতে পারেনি, তারাই বারবার সংসদ বয়কট করে আবার ফিরে আসছে—এটাই হতাশার লক্ষণ।

 তিনি বলেন, তারেক রহমান কখনো হতাশ হননি। তিনি একটি স্বপ্ন ও ভিশন নিয়ে রাজনীতি করছেন এবং কঠিন অর্থনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যেও পিছিয়ে যাননি। ঠিক যেমন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান কখনো হতাশ হননি, তেমনি তারেক রহমানও ভিশন নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন।

তিনি আরও বলেন, রাজনীতি করার মূল লক্ষ্য পাওয়া নয়, দেওয়া। আমরা কী পেলাম তা নয়, আমরা কী দিতে পারলাম সেটাই বড় কথা। দেশের গণতন্ত্র রক্ষা এবং অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে এখনো লড়াই চালিয়ে যেতে হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বুঝতে হবে—শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সেনাবাহিনীর প্রধান হওয়া সত্ত্বেও উপলব্ধি করেছিলেন যে রাজনীতি ছাড়া দেশকে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়। স্বাধীনতার পর যারা ক্ষমতায় এসে রাজনীতিকে নিষিদ্ধ করেছিল, তারা জনগণকে রাজনীতি থেকে বিচ্ছিন্ন করার চেষ্টা করেছিল। এর ফলে দেশে অরাজকতা সৃষ্টি হয়, মানুষ না খেয়ে মারা যায় এবং মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়।

তিনি বলেন, রাষ্ট্রক্ষমতার দায়িত্ব নেওয়ার পর জিয়াউর রহমান নিরলসভাবে কাজ করেছেন রাজনীতি ও গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য। তিনি রাজনীতিকে আবার রাজনীতিবিদদের হাতে ফিরিয়ে দিয়েছিলেন এবং অল্প সময়ের মধ্যেই ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন।

আবদুস সালাম দাবি করেন, জিয়াউর রহমানের জনপ্রিয়তা এখনো আকাশচুম্বী এবং তার নিজের কর্ম ও আদর্শের মাধ্যমেই তিনি এ অবস্থানে পৌঁছেছেন। তার জীবনের প্রতিটি দিকই গবেষণার বিষয় হতে পারে এবং সেখান থেকে শিক্ষা গ্রহণ করা সম্ভব।

তিনি বলেন, ব্যক্তিজীবন থেকে রাষ্ট্রজীবন—সব ক্ষেত্রেই জিয়াউর রহমান ছিলেন অনন্য। দেশের সংকটময় সময়ে তিনি রাষ্ট্রকে মজবুত ভিত্তির ওপর দাঁড় করিয়েছেন। কৃষি, সংস্কৃতি ও অর্থনীতি—সব খাতেই তার অবদান রয়েছে।

সবশেষে তিনি আরও বলেন, জিয়াউর রহমানের আদর্শ থেকে শিক্ষা নিয়ে দেশ, দল ও নিজেকে গড়ে তুলতে হবে। সেই শিক্ষাকে ধারণ করে এগোতে পারলেই একটি সুখী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।

ভিওডি বাংলা/এসআর

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
শ্রীলঙ্কায় সার্কের সিভিওদের সভা শুরু
শ্রীলঙ্কায় সার্কের সিভিওদের সভা শুরু
এসএসএফের পিস্তল দিয়ে নিশানা পরীক্ষা করলেন প্রধানমন্ত্রী
এসএসএফের পিস্তল দিয়ে নিশানা পরীক্ষা করলেন প্রধানমন্ত্রী
বাংলাদেশি সমর্থকদের নিয়ে বিশেষ ভ্লগ বানাবে আর্জেন্টিনা
বাংলাদেশি সমর্থকদের নিয়ে বিশেষ ভ্লগ বানাবে আর্জেন্টিনা