• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
টপ নিউজ
দুই শিশুকে গাছে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ বিদ্যুতের দাম ১৭ থেকে ২১ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনের প্রভাব বাংলাদেশে পড়বে না ডেমরায় বাসায় ঢুকে অস্ত্রের মুখে ডাকাতি জবির বাসে নবীনদের হেনস্তা করলে কঠোর শাস্তির নির্দেশ শাপলা চত্বরের প্রতিবাদহীনতাই কাল হয়েছিল : আলী হাসান উসামা রাষ্ট্র ও রাজনীতিকে প্রশ্ন করতে পারাটাই হচ্ছে গণমাধ্যমের দক্ষতা : তথ্যমন্ত্রী বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়কে জঙ্গি কারখানা হতে দেবো না : শিক্ষামন্ত্রী গুলিবিদ্ধ যুবককে ঢাকায় নেয়ার পথে অ্যাম্বুলেন্সেও গুলি মানবাধিকারকর্মীরা জনকল্যাণে নিঃস্বার্থভাবে কাজ করে : আবদুস সালাম

নির্যাতনে একজনের মৃত্যু

ডেমরায় বাসায় ঢুকে অস্ত্রের মুখে ডাকাতি

নিজস্ব প্রতিবেদক    ৫ মে ২০২৬, ১০:১৮ পি.এম.
ছবি : সংগৃহীত

রাজধানীর ডেমরার হাজী বাদশা মিয়া রোড এলাকার দুবাই প্রবাসী মাহবুবুল হক রিপনের বাসায় ঢুকে তার স্ত্রী, মেয়ে ও শাশুড়িকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি রেখে ডাকাতি ও নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় নির্যাতনের শিকার হয়ে রিপনের শাশুড়ি অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরবর্তীতে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। সোমবার মধ্যরাতে এই ঘটনা ঘটে। 

নিহতের ছেলে মাহমুদ বলেন, রাতে সবাই ঘুমিয়ে ছিল। তখন ভবনের ৩ তলার বাসার জানালার গ্রিল কেটে তিনজন ডাকাত বাসায় প্রবেশ করে। সবাই কিছু বুঝে উঠার আগেই অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে সবার হাত-পা বেধে নির্যাতন করতে থাকে। এই সময় বাসায় থাকা স্বর্ণ ও নগদ অর্থসহ প্রায় অর্ধকোটি টাকার মালামাল নিয়ে যায়। তাছাড়া বাসায় থাকা জমির দলিলও ডাকাতরা নিয়ে যায়। এছাড়াও বাসার বিভিন্ন জিনিসপত্র ভাঙচুর করে সব কিছু লুট করে নিয়ে গেছে ডাকাত সদস্যরা। আমার ভাগ্নি মেহের, আমার মা এবং বোন তখন বাসায় ছিল। 

তিনি আরো বলেন, ডাকাতের নির্যাতনের শিকার হয়ে আমার মা অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে আমরা এসে দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাই। অবস্থার অবনতি হলে আইসিইউতে ভর্তি করানো হয়। পরে সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। ঘটনাটি থানায় জানানোর পর ঘটনাস্থলে এসে লিখিত নোট নিয়ে গেছে পুলিশ। তারপর আর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। 

দুবাই প্রবাসী মাহবুবুল হক রিপন বলেন, রাতে বাসার গ্রীল কেটে ডাকাতরা বাসায় ঢুকে অস্ত্রের মুখে সবাইকে জিম্মি করে নগদ  টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে গেছে। আমার শাশুড়ীর পেনশনের কয়েক লাখ টাকা ছিল। শাশুড়ীকে হাত পা মুখ বেঁধে নির্মমভাবে নির্যাতন করেছে ডাকাতরা। ডাকাতরা সব লুটপাট করে নিয়ে যাওয়ার পরে আত্মীয়রা আমার শাশুড়ীকে স্থানীয় সাইনবোর্ড হাসপাতালে নেওয়ার কিছুক্ষণ পরেই তিনি মারা যান। জমির দলিল নিয়ে গেছে এবং বাসার আসবাবপত্র ভেঙে তছনছ করেছে ও কাপড়চোপড় সব ছড়িয়ে ছিটিয়ে  একটি ভয়ঙ্কর অবস্থা তৈরি করে ফেলে ডাকাতরা।

এই বিষয়ে ডেমরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম মির্জা বলেন, আমরা ডাকাতির বিষয়টি জানতে পেরেছি। সেই বাসায় তিনজন ডাকাত প্রবেশ করে সব কিছু নিয়ে গেছে। তবে তিনজনে লুট করাকে ডাকাতি বলা যায় না। ডাকাতির জন্য কমপক্ষে পাঁচজন লোকের দরকার হয়। তারপরেও আমরা ব্যবস্থ নেবো। 

তিনি আরো বলেন, আমি এখনো পর্যন্ত এই বিষয়ে পুরোপুরি জানতে পারিনি। ভিকটিমদের পক্ষ থেকে এখনো কেউ থানায় আসেনি, লিখিত কোনো অভিযোগ দেয়নি। সব কিছু জানার পরেই আসল বিষয়টি বুঝা যাবে। পরে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ভিওডি বাংলা/এসআর

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে ডিএসসিসির মতবিনিময় সভা
ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে ডিএসসিসির মতবিনিময় সভা
রাজধানীতে বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস
রাজধানীতে বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস
মানসিক হতাশা ও অভিমানেই স্বর্ণময়ীর আত্মহনন
পুলিশের চূড়ান্ত প্রতিবেদন মানসিক হতাশা ও অভিমানেই স্বর্ণময়ীর আত্মহনন