বিশ্বকাপের আগে উজ্জ্বল মেসি, আট গোলের থ্রিলারে মায়ামির জয়

লিওনেল মেসির দুর্দান্ত নৈপুণ্যে নাটকীয় এক জয়ে ফিরেছে ইন্টার মায়ামি। জোড়া গোল ও একটি অ্যাসিস্ট করে দলের ৫-৩ গোলের বড় জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা। আমেরিকান মেজর লিগ সকারে (এমএলএস) এফসি সিনসিনাতির মাঠে অনুষ্ঠিত ম্যাচে একসময় ৩-২ গোলে পিছিয়ে ছিল মায়ামি।
চলতি মৌসুমে এটি তৃতীয়বার, যখন কোনো ম্যাচে তিন গোলে সরাসরি অবদান রাখলেন মেসি। শেষদিকে তিনি হ্যাটট্রিকের খুব কাছেও পৌঁছে গিয়েছিলেন। তবে ম্যাচের শেষ গোলটি পরে আত্মঘাতী হিসেবে গণ্য করা হয়।
টিকিউএল স্টেডিয়ামে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেছে ইন্টার মায়ামি। বল দখল ও আক্রমণে আধিপত্য দেখানো সফরকারীরা ১৭টি শট নেয়, যার ৬টি ছিল লক্ষ্যে। অন্যদিকে সিনসিনাতির ১০ শটের তিনটি লক্ষ্যে ছিল।
ম্যাচের ২৪তম মিনিটে গোলের সূচনা করেন মেসি। প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারের ভুলে পাওয়া বল এক টোকায় জালে পাঠিয়ে দলকে এগিয়ে দেন তিনি। এরপর ৪১তম মিনিটে কেভিন ডেনকির পেনাল্টি গোলে সমতায় ফেরে সিনসিনাতি।
দ্বিতীয়ার্ধে ৪৯তম মিনিটে পাভেল বুচার গোলে এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা। তবে ছয় মিনিট পর লুইস সুয়ারেজের পাস থেকে দারুণ শটে ম্যাচে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন মেসি।
৬৪তম মিনিটে এভান্ডারের দূরপাল্লার শটে আবারও এগিয়ে যায় সিনসিনাতি। কিন্তু এরপরই ঘুরে দাঁড়ায় মায়ামি। প্রথমে মাতেও সিলভেট্টির গোলে সমতা ফেরে। পরে জার্মান বারতেরামের গোলে এগিয়ে যায় সফরকারীরা।
ম্যাচের শেষদিকে মেসির শট পোস্টে লেগে গোলরক্ষকের গায়ে প্রতিহত হয়ে জালে ঢুকে পড়লে সেটি প্রথমে মেসির হ্যাটট্রিক গোল হিসেবে ধরা হয়। পরে সেটিকে আত্মঘাতী গোল হিসেবে সংশোধন করা হয়।
চলতি এমএলএস মৌসুমে এখন পর্যন্ত ১২ গোল করে সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন মেসি। এছাড়া পেশাদার ক্যারিয়ারে তার গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯১০ এবং অ্যাসিস্ট ৪১১টি।
ভিওডি বাংলা/আ







