সময়মতো চিৎকার না করলে ধর্ষণ থেকে বাঁচতাম না: ফারিন খান

অভিনেত্রী ফারিন সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেছেন নিজের জীবনের এক ভয়াবহ অভিজ্ঞতা।
শুক্রবার (২২ মে) দুপুরে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি জানান, কিছুদিন আগে জামালপুর যাওয়ার পথে গভীর রাতে এক আতঙ্কজনক পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছিলেন তিনি।
ফারিনের ভাষ্য অনুযায়ী, গত ১৩ তারিখ আনুমানিক রাত ৩টা ১৫ মিনিটে জামালপুর যাওয়ার পথে বাধ্য হয়ে একটি পেট্রোল পাম্পের ওয়াশরুমে যান তিনি। ওয়াশরুমে প্রবেশের কয়েক মিনিট পর হঠাৎ অনুভব করেন, তার পেছনে কেউ রয়েছে। পরে তাকিয়ে দেখেন, ভেন্টিলেটরের ফাঁক দিয়ে দুটো হাত তার গলার কাছাকাছি পৌঁছে গেছে।
এ ঘটনায় ভয়াবহ আতঙ্কের কথা জানিয়ে অভিনেত্রী বলেন, সময়মতো চিৎকার না করলে হয়তো তাকে শারীরিকভাবে আক্রমণ, লুটপাট এমনকি আরও গুরুতর অপরাধের শিকার হতে হতো।
ফারিন জানান, চিৎকার করে দ্রুত ওয়াশরুম থেকে বেরিয়ে আসেন তিনি। তার চিৎকার শুনে সঙ্গে থাকা ড্রাইভার এগিয়ে আসেন এবং সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে ধরার চেষ্টা করলে সে পালিয়ে যায়। পরে ড্রাইভার জানান, তিনি ওই ব্যক্তিকে ওয়াশরুমের পেছনে যেতে দেখেছিলেন। হাতে ডিমের খোসা থাকায় প্রথমে সন্দেহ হয়নি।
স্ট্যাটাসে অভিনেত্রী আরও লেখেন, বাইরে থেকে সাহসী থাকার চেষ্টা করলেও ভেতরে ভেতরে তিনি ভীষণ আতঙ্কিত ও মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। পরদিন শুটিং ইউনিটের সদস্যদের সঙ্গেও বিষয়টি শেয়ার করেন তিনি।
ফারিন খান বলেন, “আল্লাহ হয়তো সেদিন আমাকে রক্ষা করেছেন। কিন্তু মানসিকভাবে আমি যে কতটা আতঙ্ক আর চাপা যন্ত্রণার মধ্যে ছিলাম, সেটা শুধু আমিই জানি।”
নারী নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করে অভিনেত্রী লেখেন, বাইরে কাজ করা নারীদের প্রতিনিয়ত নানা ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়তে হয়। তার মতে, দেশে নারী নিরাপত্তা ও অপরাধের বিচার নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।
ভিওডি বাংলা/শাহাদাত হাওলাদার/জা







