• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live

শহীদ জিয়ার শাহাদাতবার্ষিকী শনিবার, উড়বে কালো পাতাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক    ২৯ মে ২০২৬, ০৬:৫৩ পি.এম.
ছবি: সংগৃহীত

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী শনিবার (৩০ মে)। ১৯৮১ সালের এই দিনে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে সেনাবাহিনীর কিছু বিপথগামী সদস্যের হাতে নিহত হন ক্ষমতাসীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল- বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। দিনটি তার শাহাদাতবার্ষিকী হিসেবে পালন করে আসছে দলটি।

শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে ২৫ মে থেকে ১ জুন ৮ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়, শনিবার ষষ্ঠ দিন। এদিন ভোর ৬টায় নয়াপল্টোনে দলের কেন্দ্রসহ সব কার্যালয়ে দলীয় পতাকা অর্ধনমিত থাকবে। উত্তোলন করা হবে কালো পতাকা।  পোস্টার প্রকাশ, কালো ব্যাজ ধারণসহ ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণের প্রতি থানায় দুঃস্থদের মাঝে কাপড়, চাল, ডালসহ খাদ্য সামগ্রী বিতরণ।

সকাল ১১টায় প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে দলের সিনিয়র নেতারা শেরেবাংলা নগরে জিয়াউর রহমানের মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও ফাতেহা পাঠ করবেন। জিয়ারত শেষে জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের উদ্যোগে মাজার প্রাঙ্গণে দোয়া মাহফিলে শরীক হবেন। 

ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন এলাকায় আলোচনা সভা, আলোকচিত্র প্রদর্শনী, দোয়া মাহফিল এবং দুস্থদের মাঝে খাদ্য ও বস্ত্র বিতরণ কর্মসূচি পালন করবে বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠন।

শুক্রবার (২৯ মে) রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে রিজভী এসব কর্মসূচির কথা জানান।

পরদিন রোববার (৩১ মে) বেলা ২টায় দলের উদ্যোগে রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশন মিলনায়তনে আলোচনা সভা রয়েছে।

জিয়াউর রহমান ১৯৩৬ সালের ১৯ জানুয়ারি বগুড়ার গাবতলীর বাগবাড়িতে সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা মনসুর রহমান কলকাতায় প্রধান কেমিস্ট হিসেবে সরকারি চাকরিতে নিয়োজিত ছিলেন। শৈশব ও কৈশোরের একটি সময় গ্রামে কাটিয়ে জিয়া পিতার সঙ্গে কলকাতায় এবং দেশ বিভাগের পর করাচিতে চলে যান। শিক্ষাজীবন শেষে ১৯৫৩ সালে পাকিস্তান মিলিটারি একাডেমি কাকুলে অফিসার ক্যাডেট হিসেবে ভর্তি হন। ১৯৫৫ সালে তিনি কমিশন লাভ করেন। ১৯৬৫ সালে পাক-ভারত যুদ্ধে খেমকারান সেক্টরে অসীম সাহসিকতার সঙ্গে একটি কোম্পানির অধিনায়ক হিসেবে যুদ্ধ পরিচালনা করেন। তার কোম্পানি যুদ্ধে সবচেয়ে অধিক সাফল্য ও খেতাব লাভ করে। সৈনিক জীবনে তিনি যেমন চরম পেশাদারত্ব দেখিয়েছেন, তেমনি জাতীয় জীবনের সব সংকটে শক্ত হাতে হাল ধরেছেন। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তানি বাহিনী যখন নিরস্ত্র জনতার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। মেজর জিয়াউর রহমানই তখন চট্টগ্রাম কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন।

ভিওডি বাংলা/আরআর/এফএ

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
ঈদের দ্বিতীয় দিনেও ডিএসসিসির বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম জোরদার
লক্ষ্যমাত্রা ১১,৭৭৬ টন ঈদের দ্বিতীয় দিনেও ডিএসসিসির বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম জোরদার
নজরদারি করা হবে সেই বাঘিনীকে
নজরদারি করা হবে সেই বাঘিনীকে
ঈদের দ্বিতীয় দিনেও ঢাকা ছাড়ছেন ঘরমুখো মানুষ
ঈদের দ্বিতীয় দিনেও ঢাকা ছাড়ছেন ঘরমুখো মানুষ