দেশের বিভিন্ন স্থানে বজ্রপাতে প্রাণ গেল ১৩ জনের

দেশের বিভিন্ন জেলায় বজ্রপাতে অন্তত ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সময়ে পৃথক ঘটনায় চাঁপাইনবাবগঞ্জে ছয়জন, ময়মনসিংহে দুজন এবং নীলফামারী, পঞ্চগড়, চুয়াডাঙ্গা, বগুড়া ও শেরপুরে একজন করে নিহত হন। এসব ঘটনায় কয়েকজন আহতও হয়েছেন।
সবচেয়ে বেশি প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে চাঁপাইনবাবগঞ্জে। জেলার সদর, শিবগঞ্জ ও নাচোল উপজেলায় পৃথক ঘটনায় তিন নারীসহ এই ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে।
নিহতদের মধ্যে রয়েছেন সদর উপজেলার ঝিলিম ইউনিয়নের আতাহার এলাকার মো. রাব্বিলের ছেলে আবদুল্লাহ; শিবগঞ্জ উপজেলার চককীর্তি ইউনিয়নের চকনরেন্দ্র গ্রামের আবদুর রবের স্ত্রী মাহমুদা আক্তার, রানীবাড়ি-বাজারপাড়ার আবুল কাশেমের মেয়ে সাদিয়া খাতুন, মোবারকপুর ইউনিয়নের শিকারপুর দক্ষিণ পাড়ার ফিটু আলীর ছেলে মো. মেসবাউল; এবং নাচোল উপজেলার লাহাবাড়ি গ্রামের সুমিয়ারা বেগম ও গোসাইপুর গ্রামের মো. শফিউলের ছেলে হাসান আলী (লালু)।
ময়মনসিংহে বজ্রপাতে এক কলেজশিক্ষকসহ দুজনের মৃত্যু হয়েছে। গফরগাঁও উপজেলায় বাড়ির আঙিনায় কাজ করার সময় সিয়াম (২৮) এবং মুক্তাগাছায় একটি মসজিদের নির্মাণকাজ তদারকির সময় গাবতলী ডিগ্রি কলেজের গণিত বিভাগের সহকারী অধ্যাপক এএসএম খালেকুল আজাদ (৫৬) নিহত হন।
নীলফামারীর ডিমলা উপজেলায় বজ্রপাতে আলম ইসলাম (৪০) নিহত এবং এক গৃহবধূ আহত হন। পঞ্চগড় সদর উপজেলার অমরখানা ইউনিয়নে ট্রাক্টরের কাজ করতে গিয়ে বজ্রপাতে প্রাণ হারান শাহাদাত হোসেন (১৯)।
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় বাড়ির ছাদে অবস্থানকালে বজ্রপাতে নাফিজ আহমেদ শান্ত (২৮) নিহত এবং তার চাচাতো ভাই আহত হন। বগুড়ার আদমদীঘিতে মরিচ ক্ষেতে কাজ করার সময় বজ্রপাতে রাব্বি হোসেন (১৫) নামে এক কিশোর নিহত ও তার মা আহত হন।
এদিকে শেরপুর সদর উপজেলার চরপক্ষীমারি ইউনিয়নে ফুটবল খেলতে গিয়ে বজ্রপাতে মারা যান মিজান মিয়া (২১)।
স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্র সংশ্লিষ্ট ঘটনাগুলোর সত্যতা নিশ্চিত করেছে।
ভিওডি বাংলা/আ







