চট্টগ্রামে সেপটিক ট্যাংকে নেমে ৪ জনের মৃত্যু

চট্টগ্রামে পৃথক ঘটনায় সেপটিক ট্যাংকে নেমে বিষাক্ত গ্যাসে চারজনের মৃত্যু হয়েছে।
শুক্রবার (২৬ জুন) দুপুরে রাউজান ও নগরীর ডবলমুরিং এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নির্মাণাধীন ভবনের ট্যাংকে কাজ করতে নেমে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে তারা প্রাণ হারান বলে জানিয়েছে হাসপাতাল ও স্থানীয় সূত্র।
চমেক হাসপাতাল সূত্র জানাযায়, ডবলমুরিং থানাধীন ধনিয়ালাপাড়া এলাকায় জাকির ম্যানশনের পাশে নির্মাণাধীন একটি ভবনের ওয়াটার রিজার্ভ ট্যাংকের সেন্টারিং খোলার কাজে দুইজন ট্যাংকের ভেতরে নামেন। এ সময় ভেতরে জমে থাকা গ্যাসে তারা অচেতন হয়ে পড়েন। পরে তাদের অজ্ঞান অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসক দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন। বর্তমানে তাদের মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
নিহতদের মধ্যে একজন সাকিব, তার পিতার নাম আমিনুল হক। তার গ্রামের বাড়ি নোয়াখালীতে। অপরজন হৃদয় মিয়া। তার পিতা মিলন মিয়া ও মাতা নাছিমা। তিনি নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চর এলাহী এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গেছে।
একই দিনে রাউজান উপজেলায় সেপটিক ট্যাংকে নেমে দুই নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। নিহতরা হলেন- রাউজানের কচুখাইন এলাকার প্রদীপ দাশ এবং বোয়ালখালীর কদুরখিল এলাকার সমীরণ দাশ।
স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, রতন ডাক্তারের নির্মাণাধীন বাড়ির সেপটিক ট্যাংকে কাজ করতে নেমে তারা দুর্ঘটনার শিকার হন। প্রদীপ ওই বাড়ির মালিক রতন ডাক্তারের জামাতা বলে জানা গেছে।
স্থানীয়রা জানান, দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে প্রথমে প্রদীপ ট্যাংকে নামেন। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা ট্যাংকের গ্যাসে তিনি অচেতন হয়ে পড়লে তাকে উদ্ধার করতে নামেন সমীরণ। পরে তিনিও একইভাবে বিষাক্ত গ্যাসে আক্রান্ত হয়ে অচেতন হয়ে পড়েন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস সদস্যরা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক দুজনকে মৃত ঘোষণা করেন।
রাউজান থানার ওসি জসিম উদ্দিন বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
ভিওডি বাংলা/আরআই/এফএ








মন্তব্য