নতুন সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে আগ্রহী ফ্রান্স

বাংলাদেশে নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জঁ-মার্ক সেরে-শার্লে বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
রোববার (১৪ জুন) বেলা সাড়ে ১১টায় সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সৌজন্য সাক্ষাতে তিনি এ আগ্রহের কথা জানান।
সাক্ষাৎকালে সংস্কৃতি মন্ত্রী ফরাসি রাষ্ট্রদূত এবং তার প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানান। প্রতিনিধিদলে ছিলেন ফরাসি সাংস্কৃতিক উপদেষ্টা ফ্রেডেরিক ইনজা, আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ ঢাকার পরিচালক ফ্রাঁসোয়া শঁব্রো এবং আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ চট্টগ্রামের পরিচালক ব্রুনো লাক্রাম্প। এ সময় সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কানিজ মওলা এবং যুগ্মসচিব ইলিয়া সুমনাও উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে ফরাসি রাষ্ট্রদূত দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, ফ্রান্স বাংলাদেশের তরুণ জনগোষ্ঠীকে অত্যন্ত সম্ভাবনাময় হিসেবে দেখে। এ তরুণদের দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করতে কারিগরি প্রশিক্ষণ খাতে যৌথভাবে কাজ করতে আগ্রহী ফ্রান্স।
তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক পরিসরে বাংলাদেশের তরুণদের সুযোগ বাড়াতে বিশেষায়িত ফরাসি ভাষা প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চালুর বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী রাষ্ট্রদূতের প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, ১৯৭২ সাল থেকে বাংলাদেশ ও ফ্রান্সের মধ্যে গভীর বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বিদ্যমান। তিনি ১৯৮৭ সালের ১০ মার্চ স্বাক্ষরিত দ্বিপাক্ষিক সাংস্কৃতিক চুক্তি বর্তমান প্রেক্ষাপটে নবায়ন ও আধুনিকায়নের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
মন্ত্রী জানান, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর মতামত নিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে চুক্তি নবায়নের প্রক্রিয়া এগিয়ে চলছে।
তিনি আরও বলেন, মহাস্থানগড়ে বাংলাদেশ ও ফ্রান্সের যৌথ প্রত্নতাত্ত্বিক খনন ও গবেষণা দুই দেশের দীর্ঘদিনের সহযোগিতার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ১৯৯২ সালের এ-সংক্রান্ত চুক্তি নবায়নের উদ্যোগও বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
বৈঠকে ঢাকার আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ ও চট্টগ্রাম কেন্দ্রের কার্যক্রম সম্প্রসারণের মাধ্যমে তরুণদের ভাষা ও সাংস্কৃতিক প্রশিক্ষণ আরও শক্তিশালী করার বিষয়ে উভয় পক্ষ একমত হয়।
ভিওডি বাংলা/আ







